নিউইয়র্ক ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

শুল্ক বাড়িয়ে চীনকে কি ঠেকাতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০২:০৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / ৬৩ বার পঠিত

দ্বিতীয় দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর ফের বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করেছেন। গত ৪ মার্চ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীন, কানাডা ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তিনি। ঘোষণা অনুসারে মেক্সিকো ও কানাডার ওপর আরোপ করা হয় ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক। অন্যদিকে চীনের ওপর আরোপ করা হয় অতিরিক্ত আরো ১০ শতাংশ শুল্ক (আগে বাড়ানো হয়েছিল ১০ শতাংশ)। শুধু এই তিনটি দেশ নয়, ট্রাম্পের শুল্ক হুমকিতে আছে আরো অনেক দেশ। ট্রাম্প শুল্ক বাড়ানোর কারণ হিসেবে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতিকে সামনে এনেছেন। ২০২৪ সালে কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৬৩.৩ বিলিয়ন বা ছয় হাজার ৩৩০ কোটি ডলার; মেক্সিকোর সঙ্গে ছিল ১৭১.৮ বিলিয়ন বা ১৭ হাজার ১৮০ কোটি ডলার; ২০২৩ সালে চীনের সঙ্গে ছিল ২৭৯ বিলিয়ন বা ২৭ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। বাণিজ্য ঘাটতির পেছনে বলা হচ্ছে, এই দেশগুলো তাদের বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সব পণ্যের জন্য খোলা রাখেনি। কিন্তু তার বিপরীতে এসব দেশের বেশির ভাগ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদক দেশ চীনের উৎপাদন শিল্পের সামগ্রিক আকার টানা ১৫ বছর ধরে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে। ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩১.৬৩ শতাংশ অবদান রাখে দেশটি। আর্থিক হিসাবে যার মূল্য প্রায় পাঁচ ট্রিলিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের ডলার। চীনের এই আধিপত্য আরো স্পষ্ট হয় যখন দেখা যায় দেশটি ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী জাহাজ নির্মাণের ৫৩ শতাংশ সরবরাহ করেছে, যা এর বিশাল শিল্প ক্ষমতার প্রতিফলন। স্মার্টফোন, ইলেকট্রনিক ভেহিক্যাল, ড্রোন, সামরিক প্রযুক্তি, রিনিউয়েবল এনার্জি সোলার সিস্টেম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ প্রতিযোগিতাশীল প্রায় সব খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের টেক্কা দিচ্ছে চীন। গত বছর দেশটি ৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ হলেও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী মোট উৎপাদনের মাত্র ১৫.৮৭ শতাংশ অবদান রাখে, যা চীনের তুলনায় অনেক কম। অন্য প্রধান উৎপাদক দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে জাপান (৬.৫২ শতাংশ), জার্মানি (৪.৭৮ শতাংশ) এবং ভারত (২.৮৭ শতাংশ)। তবে চীনের উৎপাদন খাতের আউটপুট একাই পরবর্তী ৯টি বৃহৎ উৎপাদনশীল দেশের সম্মিলিত আউটপুটের চেয়েও বেশি, যা একে বিশ্বের একমাত্র ‘উৎপাদন সুপারপাওয়ার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, শুল্ক বাড়িয়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ চীনকে কী ঠেকাতে পারবে নম্বর ওয়ানে থাকা যুক্তরাষ্ট্র? প্রশ্নটির সরল কোনো উত্তর নেই। তবে যেভাবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে আছে চীনের পণ্যের বাজার, তাতে হয়তো চীনের অপ্রতিরোধ্য গতি কিছুটা মন্থর করা সম্ভব, থামিয়ে দেওয়া নয়। এতে উল্টো বিপাকে পড়ার শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারও অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের উচ্চ শুল্কনীতি যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর ক্ষতি করবে। চিঠিতে বলা হয়, উচ্চ শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রে প্রয়োজনীয় আমদানীকৃত পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেবে। বাণিজ্য বিরোধের কারণে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে (কানাডা ও চীন পালটা শুল্ক আরোপ করেছে)। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদ্যুতিক যানবাহনের রপ্তানির ওপর শুল্ক বৃদ্ধি পাবে, যা অনিবার্যভাবে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিকারকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর বাইরে চীন অন্যান্য দেশে তাদের বিনিয়োগ বাড়াবে। পাশাপাশি বাণিজ্যযুদ্ধের ফলে পশ্চিমা কোম্পানিগুলো চীন থেকে সরে গেলে অপেক্ষাকৃত ছোট দেশগুলো লাভবান হবে। অ্যাপলের মতো প্রতিষ্ঠান ভারতে কারখানা করেছে। ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের অর্থনীতির গতি বাড়িয়েছে পশ্চিমা কোম্পানি। ভিয়েতনামের অনেক কোম্পানিতে চীনের গোপন বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে চাইলেই চীনকে একেবারে ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করা সত্ত্বেও ধারণা করা হচ্ছে, চীনের অর্থনীতি বছরের প্রথম দুই মাসে স্থিতিশীল ছিল। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সরকার এই মাসে রেকর্ড বাজেট ঘাটতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং ২০২৫ সালের জন্য ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধির উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা বজায় রেখেছে। চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, শিল্প উৎপাদন ৫.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যেখানে ২০২৪ সালে এটি ছিল ৫.৮ শতাংশ। খুচরা বিক্রি ৩.৮ শতাংশ বাড়তে পারে, যা গত বছরের ৩.৫ শতাংশ ছিল। আর স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ ৩.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় একই হার বজায় রাখবে। ব্লুমবার্গের জরিপে অর্থনীতিবিদদের মধ্যম পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের প্রথম দুই মাসে শিল্প উৎপাদন ৫.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ২০২৪ সালের মোট ৫.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় সামান্য কম।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ট্রাম্পের ঘোষিত বাণিজ্য যুদ্ধ তথা বাড়তি শুল্ক আরোপ সন্দেহ নেই চীনের জন্য চ্যালেঞ্জ। তবে চীনকে থামাতে পারবে না। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেও কম ভুগতে হবে না। সূত্র : সাম্প্রতিক দেশকাল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

শুল্ক বাড়িয়ে চীনকে কি ঠেকাতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের সময় : ০২:০৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

দ্বিতীয় দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর ফের বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করেছেন। গত ৪ মার্চ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীন, কানাডা ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তিনি। ঘোষণা অনুসারে মেক্সিকো ও কানাডার ওপর আরোপ করা হয় ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক। অন্যদিকে চীনের ওপর আরোপ করা হয় অতিরিক্ত আরো ১০ শতাংশ শুল্ক (আগে বাড়ানো হয়েছিল ১০ শতাংশ)। শুধু এই তিনটি দেশ নয়, ট্রাম্পের শুল্ক হুমকিতে আছে আরো অনেক দেশ। ট্রাম্প শুল্ক বাড়ানোর কারণ হিসেবে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতিকে সামনে এনেছেন। ২০২৪ সালে কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৬৩.৩ বিলিয়ন বা ছয় হাজার ৩৩০ কোটি ডলার; মেক্সিকোর সঙ্গে ছিল ১৭১.৮ বিলিয়ন বা ১৭ হাজার ১৮০ কোটি ডলার; ২০২৩ সালে চীনের সঙ্গে ছিল ২৭৯ বিলিয়ন বা ২৭ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। বাণিজ্য ঘাটতির পেছনে বলা হচ্ছে, এই দেশগুলো তাদের বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সব পণ্যের জন্য খোলা রাখেনি। কিন্তু তার বিপরীতে এসব দেশের বেশির ভাগ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদক দেশ চীনের উৎপাদন শিল্পের সামগ্রিক আকার টানা ১৫ বছর ধরে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে। ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩১.৬৩ শতাংশ অবদান রাখে দেশটি। আর্থিক হিসাবে যার মূল্য প্রায় পাঁচ ট্রিলিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের ডলার। চীনের এই আধিপত্য আরো স্পষ্ট হয় যখন দেখা যায় দেশটি ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী জাহাজ নির্মাণের ৫৩ শতাংশ সরবরাহ করেছে, যা এর বিশাল শিল্প ক্ষমতার প্রতিফলন। স্মার্টফোন, ইলেকট্রনিক ভেহিক্যাল, ড্রোন, সামরিক প্রযুক্তি, রিনিউয়েবল এনার্জি সোলার সিস্টেম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ প্রতিযোগিতাশীল প্রায় সব খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের টেক্কা দিচ্ছে চীন। গত বছর দেশটি ৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ হলেও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী মোট উৎপাদনের মাত্র ১৫.৮৭ শতাংশ অবদান রাখে, যা চীনের তুলনায় অনেক কম। অন্য প্রধান উৎপাদক দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে জাপান (৬.৫২ শতাংশ), জার্মানি (৪.৭৮ শতাংশ) এবং ভারত (২.৮৭ শতাংশ)। তবে চীনের উৎপাদন খাতের আউটপুট একাই পরবর্তী ৯টি বৃহৎ উৎপাদনশীল দেশের সম্মিলিত আউটপুটের চেয়েও বেশি, যা একে বিশ্বের একমাত্র ‘উৎপাদন সুপারপাওয়ার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, শুল্ক বাড়িয়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ চীনকে কী ঠেকাতে পারবে নম্বর ওয়ানে থাকা যুক্তরাষ্ট্র? প্রশ্নটির সরল কোনো উত্তর নেই। তবে যেভাবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে আছে চীনের পণ্যের বাজার, তাতে হয়তো চীনের অপ্রতিরোধ্য গতি কিছুটা মন্থর করা সম্ভব, থামিয়ে দেওয়া নয়। এতে উল্টো বিপাকে পড়ার শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারও অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের উচ্চ শুল্কনীতি যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর ক্ষতি করবে। চিঠিতে বলা হয়, উচ্চ শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রে প্রয়োজনীয় আমদানীকৃত পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেবে। বাণিজ্য বিরোধের কারণে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে (কানাডা ও চীন পালটা শুল্ক আরোপ করেছে)। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদ্যুতিক যানবাহনের রপ্তানির ওপর শুল্ক বৃদ্ধি পাবে, যা অনিবার্যভাবে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিকারকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর বাইরে চীন অন্যান্য দেশে তাদের বিনিয়োগ বাড়াবে। পাশাপাশি বাণিজ্যযুদ্ধের ফলে পশ্চিমা কোম্পানিগুলো চীন থেকে সরে গেলে অপেক্ষাকৃত ছোট দেশগুলো লাভবান হবে। অ্যাপলের মতো প্রতিষ্ঠান ভারতে কারখানা করেছে। ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের অর্থনীতির গতি বাড়িয়েছে পশ্চিমা কোম্পানি। ভিয়েতনামের অনেক কোম্পানিতে চীনের গোপন বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে চাইলেই চীনকে একেবারে ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করা সত্ত্বেও ধারণা করা হচ্ছে, চীনের অর্থনীতি বছরের প্রথম দুই মাসে স্থিতিশীল ছিল। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সরকার এই মাসে রেকর্ড বাজেট ঘাটতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং ২০২৫ সালের জন্য ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধির উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা বজায় রেখেছে। চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, শিল্প উৎপাদন ৫.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যেখানে ২০২৪ সালে এটি ছিল ৫.৮ শতাংশ। খুচরা বিক্রি ৩.৮ শতাংশ বাড়তে পারে, যা গত বছরের ৩.৫ শতাংশ ছিল। আর স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ ৩.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় একই হার বজায় রাখবে। ব্লুমবার্গের জরিপে অর্থনীতিবিদদের মধ্যম পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের প্রথম দুই মাসে শিল্প উৎপাদন ৫.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ২০২৪ সালের মোট ৫.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় সামান্য কম।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ট্রাম্পের ঘোষিত বাণিজ্য যুদ্ধ তথা বাড়তি শুল্ক আরোপ সন্দেহ নেই চীনের জন্য চ্যালেঞ্জ। তবে চীনকে থামাতে পারবে না। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেও কম ভুগতে হবে না। সূত্র : সাম্প্রতিক দেশকাল।