নিউইয়র্ক ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

বাংলাদেশে এক ভীতিকর অবস্থা চলছে : গোলাম মোর্তোজা

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০১৫
  • / ৬৫৬ বার পঠিত

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের মানুষ সার্বিকভাবে আজ এক ভীতিকর অবস্থার মধ্যে বাস করছে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আজ অস্বীকৃত, বিরোধীদের কন্ঠ রুদ্ধ করা হচ্ছে, প্রচার মাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ ক্রমাগত কঠোরতর হচ্ছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন এক কঠিন সময় পার করছে। বাংলাদেশের খ্যাতিমান সাংবাদিক, ‘সাপ্তাহিক’ সম্পাদক ও টেলিভিশন টকশো’র জনপ্রিয় আলোচক গোলাম মোর্তোজা গত ১ জুন সোমবার নিউইয়র্কে এক আড্ডায় মত বিনিময়কালে এ কথা বলেন।
গোলাম মোর্তোজা বলেন, ক্রমাগত গুমের ঘটনায় বাংলাদেশ অনেকের জন্যই আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা যায় না কারা গুম করছে, কেন গুম করছে, কোথায় নিয়ে যাচ্ছে এবং গুম হওয়া ব্যক্তির ভাগ্যে কি ঘটছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নামে অনেকের চোখের সামনে দিয়ে ধরে নিয়ে গেলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এ ব্যাপারে তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের প্রধান শর্ত পরমতসহিষ্ণুতা আজ পুরোপুরি নির্বাসিত। কোন রকমের সমালোচনা সরকার সহ্য করতে রাজি নয়।
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘আজকাল’-এর পক্ষ থেকে গোলাম মোর্তোজাকে নিয়ে এই আড্ডার আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য গোলাম মোর্তোজা আজকাল-এর উপদেষ্টা সম্পাদক।
জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে আয়োজিত এই আড্ডায় বৃষ্টিমুখর প্রতিকূল পরিবেশেও সমবেত হয়েছিলেন বিপুল সংখ্যক সুধীজন। এদের মধ্যে ছিলেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা পত্রিকাগুলোর সম্পাদকবৃন্দ, লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট, নাট্য ব্যক্তিত্ব, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। ছিলেন সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক, টাইম টিভির সিইও এবং নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ. খান, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, সাপ্তাহিক বর্ণমালা সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, সাংবাদিক মঈনুদ্দিন নাসের, লেখক-সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস, সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, নাট্য ব্যক্তিত্ব মুজিব বিন হক ও রেখা আহমেদ, আইঅন বাংলাদেশ টিভির পরিচালক রিমন ইসলাম, নিউইয়র্ক প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, দৈনিক ইত্তেফাক-এর বিশেষ প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম, সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, মনোয়ারুল ইসলাম ও মনিজা রহমান, কৃষিবিদ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
গোলাম মোর্তোজার বক্তব্য দিয়ে আড্ডার সূচনা ঘটে। এরপর তিনি বিভিন্ন জনের প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি বলেন, রাজনীতিতে অসহিষ্ণুতা ও গণতান্ত্রিক আচারের অনুপস্থিতিতে দেশ ক্রমশই স্বৈরতান্ত্রিকতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। সংবাদপত্র ও প্রচার মাধ্যমের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম এই মুহূর্তে প্রচন্ড চাপের মুখে রয়েছে। অলিখিত এক ধরনের বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে চলেছে এই মাধ্যম। যার ফলে তাদের পক্ষে সব সময় সত্য প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, অতীতে সব সময় প্রচার মাধ্যমের ওপর কোন না কোন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপিত ছিল। কিন্তু এখন তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ফলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয়েছে।
এই সরকারের শাসনে কোন ইতিবাচক দিক আছে কিনা এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এদের আমলে দেশের উন্নতি হয়েছে। দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে চলেছে। কিন্তু অর্থনৈতিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, ব্যংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট, সর্বক্ষেত্রে দলীয় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে খুন-খারাবি, ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দেশের গণতন্ত্রকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে দিচ্ছে। অস্থিরতা ও সরকারি নিপীড়ন দেশের মানুষকে এক ভয়ঙ্কর আতঙ্কের মধ্যে নিক্ষেপ করেছে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। সব সরকারের আমলেই দেশের উন্নতি হয়েছে। এমনকি এরশাদের আমলেও উন্নয়ন থেমে থাকেনি।
গোলাম মোর্তোজা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে পরিবর্তন ঘটলেও বাস্তবতা হচ্ছে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই অর্থনৈতিক ব্যবধান রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য খুবই বিপদজনক। এ ধরনের অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে দেশ চলতে পারে না। দেশে আজ দূর্নীতি-অনিয়ম সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। শেয়ার বাজার, ব্যাংক ও অর্থ লগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে গেছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি ঘটেছে।
সাংবাদিক সমাজ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা আজ দুঃখজনকভাবে দ্বিধাবিভক্ত। দলীয় রাজনীতিতে বিশ্বাসী সাংবাদিকরা দলীয় স্বার্থে কাজ করছেন। এমন অবস্থা অন্যান্য পেশাজীবী শ্রেণীর মধ্যেও বিরাজ করছে। গোলাম মোর্তোজা বলেন, সাংবাদিকরাও প্রকাশ্য রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলো এর সুযোগ গ্রহণ করছে। সাংবাদিক ইউনিয়নের মতো আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবকেও ভেঙে ফেলা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রেস ক্লাব নিয়ে যা ঘটছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ছিল ভোটারবিহীন অনিয়মের নির্বাচন। অগণতান্ত্রিক এই নির্বাচনকে কেউ মেনে নেয়নি।
অনুষ্ঠান শেষে আজকাল-এর প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক জাকারিয়া মাসুদ জিকো উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমদ শুরুতে গোলাম মোর্তোজার পরিচিতি তুলে ধরেন এবং আড্ডাটি সঞ্চালনা করেন। (সাপ্তাহিক আজকাল)

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

About Author Information

বাংলাদেশে এক ভীতিকর অবস্থা চলছে : গোলাম মোর্তোজা

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০১৫

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের মানুষ সার্বিকভাবে আজ এক ভীতিকর অবস্থার মধ্যে বাস করছে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আজ অস্বীকৃত, বিরোধীদের কন্ঠ রুদ্ধ করা হচ্ছে, প্রচার মাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ ক্রমাগত কঠোরতর হচ্ছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন এক কঠিন সময় পার করছে। বাংলাদেশের খ্যাতিমান সাংবাদিক, ‘সাপ্তাহিক’ সম্পাদক ও টেলিভিশন টকশো’র জনপ্রিয় আলোচক গোলাম মোর্তোজা গত ১ জুন সোমবার নিউইয়র্কে এক আড্ডায় মত বিনিময়কালে এ কথা বলেন।
গোলাম মোর্তোজা বলেন, ক্রমাগত গুমের ঘটনায় বাংলাদেশ অনেকের জন্যই আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা যায় না কারা গুম করছে, কেন গুম করছে, কোথায় নিয়ে যাচ্ছে এবং গুম হওয়া ব্যক্তির ভাগ্যে কি ঘটছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নামে অনেকের চোখের সামনে দিয়ে ধরে নিয়ে গেলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এ ব্যাপারে তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের প্রধান শর্ত পরমতসহিষ্ণুতা আজ পুরোপুরি নির্বাসিত। কোন রকমের সমালোচনা সরকার সহ্য করতে রাজি নয়।
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘আজকাল’-এর পক্ষ থেকে গোলাম মোর্তোজাকে নিয়ে এই আড্ডার আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য গোলাম মোর্তোজা আজকাল-এর উপদেষ্টা সম্পাদক।
জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে আয়োজিত এই আড্ডায় বৃষ্টিমুখর প্রতিকূল পরিবেশেও সমবেত হয়েছিলেন বিপুল সংখ্যক সুধীজন। এদের মধ্যে ছিলেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা পত্রিকাগুলোর সম্পাদকবৃন্দ, লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট, নাট্য ব্যক্তিত্ব, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। ছিলেন সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক, টাইম টিভির সিইও এবং নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ. খান, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, সাপ্তাহিক বর্ণমালা সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, সাংবাদিক মঈনুদ্দিন নাসের, লেখক-সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস, সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, নাট্য ব্যক্তিত্ব মুজিব বিন হক ও রেখা আহমেদ, আইঅন বাংলাদেশ টিভির পরিচালক রিমন ইসলাম, নিউইয়র্ক প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, দৈনিক ইত্তেফাক-এর বিশেষ প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম, সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, মনোয়ারুল ইসলাম ও মনিজা রহমান, কৃষিবিদ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
গোলাম মোর্তোজার বক্তব্য দিয়ে আড্ডার সূচনা ঘটে। এরপর তিনি বিভিন্ন জনের প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি বলেন, রাজনীতিতে অসহিষ্ণুতা ও গণতান্ত্রিক আচারের অনুপস্থিতিতে দেশ ক্রমশই স্বৈরতান্ত্রিকতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। সংবাদপত্র ও প্রচার মাধ্যমের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম এই মুহূর্তে প্রচন্ড চাপের মুখে রয়েছে। অলিখিত এক ধরনের বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে চলেছে এই মাধ্যম। যার ফলে তাদের পক্ষে সব সময় সত্য প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, অতীতে সব সময় প্রচার মাধ্যমের ওপর কোন না কোন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপিত ছিল। কিন্তু এখন তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ফলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয়েছে।
এই সরকারের শাসনে কোন ইতিবাচক দিক আছে কিনা এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এদের আমলে দেশের উন্নতি হয়েছে। দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে চলেছে। কিন্তু অর্থনৈতিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, ব্যংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট, সর্বক্ষেত্রে দলীয় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে খুন-খারাবি, ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দেশের গণতন্ত্রকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে দিচ্ছে। অস্থিরতা ও সরকারি নিপীড়ন দেশের মানুষকে এক ভয়ঙ্কর আতঙ্কের মধ্যে নিক্ষেপ করেছে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। সব সরকারের আমলেই দেশের উন্নতি হয়েছে। এমনকি এরশাদের আমলেও উন্নয়ন থেমে থাকেনি।
গোলাম মোর্তোজা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে পরিবর্তন ঘটলেও বাস্তবতা হচ্ছে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই অর্থনৈতিক ব্যবধান রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য খুবই বিপদজনক। এ ধরনের অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে দেশ চলতে পারে না। দেশে আজ দূর্নীতি-অনিয়ম সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। শেয়ার বাজার, ব্যাংক ও অর্থ লগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে গেছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি ঘটেছে।
সাংবাদিক সমাজ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা আজ দুঃখজনকভাবে দ্বিধাবিভক্ত। দলীয় রাজনীতিতে বিশ্বাসী সাংবাদিকরা দলীয় স্বার্থে কাজ করছেন। এমন অবস্থা অন্যান্য পেশাজীবী শ্রেণীর মধ্যেও বিরাজ করছে। গোলাম মোর্তোজা বলেন, সাংবাদিকরাও প্রকাশ্য রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলো এর সুযোগ গ্রহণ করছে। সাংবাদিক ইউনিয়নের মতো আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবকেও ভেঙে ফেলা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রেস ক্লাব নিয়ে যা ঘটছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ছিল ভোটারবিহীন অনিয়মের নির্বাচন। অগণতান্ত্রিক এই নির্বাচনকে কেউ মেনে নেয়নি।
অনুষ্ঠান শেষে আজকাল-এর প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক জাকারিয়া মাসুদ জিকো উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমদ শুরুতে গোলাম মোর্তোজার পরিচিতি তুলে ধরেন এবং আড্ডাটি সঞ্চালনা করেন। (সাপ্তাহিক আজকাল)