নিউইয়র্ক ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

ইগো সমস্যার কারণে বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন না, ভবিষ্যৎবাণী ট্রাম্পের

হককথা ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
  • / ২২ বার পঠিত

জো বাইডেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন না, এমনটাই মনে করছেন তার পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, বাইডেনের শক্তিশালী অবস্থান এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থন তার প্রার্থিতা চালিয়ে যেতে যথেষ্ট।

ট্রাম্প বলেন, বাইডেন প্রেসিডেন্ট এবং দলের জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে ডেমোক্রেটিক পার্টিতে বেশ শক্তিশালী। তার ভক্ত-অনুসারী এবং প্রতিনিধিদেরও অভাব নেই। তাই তাকে সরানো অসম্ভব। এমনকি সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারাও কোনো কাজে আসবে না। ট্রাম্প আরও বলেন, বাইডেনের ইগো সমস্যা রয়েছে এবং তিনি ট্রাম্পের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্যই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারা অনুসারে, প্রেসিডেন্ট যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষম হয়ে পড়েন, তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে পদ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। তবে ট্রাম্পের মতে, এই ধারা প্রয়োগ করে বাইডেনকে সরানো সম্ভব হবে না।

২০২০ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট হওয়া বাইডেনের বয়স তখন ছিল ৭৮ বছর, আর ট্রাম্পের বয়স ছিল ৭৫ বছর। বর্তমানে বাইডেনের বয়স ৮১, যা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রেসিডেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছে।সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

আগামী নভেম্বরে আবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক নেতাই বাইডেনকে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু বাইডেন তাদের কথা শোনেননি।

সিএনএনের আয়োজনে গত ২৮ জুন প্রথমবারের মতো নির্বাচনী বিতর্ক হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেনের মধ্যে। সেখানে বাইডেনের প্রশাসনের অর্থনীতি সামলানো, পররাষ্ট্রনীতি এবং অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্প তীব্র সমালোচনা করেন। তবে বাইডেন সেই সমালোচনা মোকাবিলায় বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিলেন এবং তিনি সফলভাবে প্রতিউত্তর দিতে ব্যর্থ হন।

দ্বিতীয় বিতর্কের পর একটি জরিপে দেখা গেছে, যারা বিতর্ক দেখেছেন তাদের মধ্যে ৬৭ শতাংশই ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চান। বিতর্কের পর ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যে বাইডেনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ দাতা জানিয়েছেন, বাইডেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে তারা তহবিলে অর্থ প্রদান বন্ধ করবেন।

তবে বাইডেন এসব সমালোচনায় কান দিচ্ছেন না। কিছুদিন আগে এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, যদি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আমার সামনে এসে আমাকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আদেশ দেন, কেবল তাহলেই আমি তা করতে পারি। আর তেমনটি ঘটার সম্ভাবনা নাই।

Tag :

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

ইগো সমস্যার কারণে বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন না, ভবিষ্যৎবাণী ট্রাম্পের

প্রকাশের সময় : ০৭:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন না, এমনটাই মনে করছেন তার পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, বাইডেনের শক্তিশালী অবস্থান এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থন তার প্রার্থিতা চালিয়ে যেতে যথেষ্ট।

ট্রাম্প বলেন, বাইডেন প্রেসিডেন্ট এবং দলের জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে ডেমোক্রেটিক পার্টিতে বেশ শক্তিশালী। তার ভক্ত-অনুসারী এবং প্রতিনিধিদেরও অভাব নেই। তাই তাকে সরানো অসম্ভব। এমনকি সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারাও কোনো কাজে আসবে না। ট্রাম্প আরও বলেন, বাইডেনের ইগো সমস্যা রয়েছে এবং তিনি ট্রাম্পের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্যই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারা অনুসারে, প্রেসিডেন্ট যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষম হয়ে পড়েন, তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে পদ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। তবে ট্রাম্পের মতে, এই ধারা প্রয়োগ করে বাইডেনকে সরানো সম্ভব হবে না।

২০২০ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট হওয়া বাইডেনের বয়স তখন ছিল ৭৮ বছর, আর ট্রাম্পের বয়স ছিল ৭৫ বছর। বর্তমানে বাইডেনের বয়স ৮১, যা তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রেসিডেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছে।সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

আগামী নভেম্বরে আবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেক নেতাই বাইডেনকে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু বাইডেন তাদের কথা শোনেননি।

সিএনএনের আয়োজনে গত ২৮ জুন প্রথমবারের মতো নির্বাচনী বিতর্ক হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেনের মধ্যে। সেখানে বাইডেনের প্রশাসনের অর্থনীতি সামলানো, পররাষ্ট্রনীতি এবং অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্প তীব্র সমালোচনা করেন। তবে বাইডেন সেই সমালোচনা মোকাবিলায় বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিলেন এবং তিনি সফলভাবে প্রতিউত্তর দিতে ব্যর্থ হন।

দ্বিতীয় বিতর্কের পর একটি জরিপে দেখা গেছে, যারা বিতর্ক দেখেছেন তাদের মধ্যে ৬৭ শতাংশই ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চান। বিতর্কের পর ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যে বাইডেনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ দাতা জানিয়েছেন, বাইডেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে তারা তহবিলে অর্থ প্রদান বন্ধ করবেন।

তবে বাইডেন এসব সমালোচনায় কান দিচ্ছেন না। কিছুদিন আগে এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, যদি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আমার সামনে এসে আমাকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আদেশ দেন, কেবল তাহলেই আমি তা করতে পারি। আর তেমনটি ঘটার সম্ভাবনা নাই।