নিউইয়র্ক ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২৮ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন :
মঙ্গলবারের পত্রিকা সাপ্তাহিক হককথা ও হককথা.কম এ আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন +1 (347) 848-3834

ধ্বংসস্তূপে জন্ম নেওয়া শিশুটিকে দত্তক চান হাজারো মানুষ

রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : ০১:২৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ৫৪ বার পঠিত

ছবি: বিবিসি

ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর সিরিয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে জন্ম নেওয়া শিশু আয়াকে দত্তক নেওয়ার জন্য হাজারো মানুষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গার মানুষ তার দায়িত্ব নিতে চাইছেন। আয়া যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, সেখানকার ব্যবস্থাপক এমন তথ্য জানিয়েছেন।

সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনদায়ার্স শহরে ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপে জন্ম শিশুটির। সদ্যোজাত শিশুটির মা কিংবা পরিবারের অন্য কেউ বেঁচে নেই। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে ‘আয়া’। আরবি ভাষায় যার অর্থ ‘অলৌকিক’। খবর বিবিসির । উদ্ধারকর্মীরা ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপের নিচে যখন আয়ার সন্ধান পান, তখন সে মায়ের নাড়ির সঙ্গে প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল। সেখান থেকে বের করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে শিশু বিশেষজ্ঞ হানি মারুফের চিকিৎসাধীন সে। মারুফ বলেন, ‘সোমবার যখন তাকে এখানে আনা হয়, তখন তার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। গায়ে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছিল, কালশিটে দাগ ছিল, শরীর ঠান্ডা হয়ে ছিল, শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল।’ তবে আয়ার অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক খালিদ আতিয়াহ বলেন, আয়াকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাকে ফোন করেছেন।

খালিদের নিজেরও চার মাস বয়সী কন্যাসন্তান আছে। তার স্ত্রী এখন নিজের সন্তানের পাশাপাশি আয়াকেও বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে আয়াকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে পোস্ট দিয়েছেন। কুয়েতের এক টিভি উপস্থাপক লিখেছেন, আইনগতভাবে অনুমতি পেলে তিনি আয়াকে দত্তক নিয়ে লালনপালন করার জন্য প্রস্তুত। উল্লেখ্য, তুরস্ক ও সিরিয়ায় গত সোমবারের ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

ধ্বংসস্তূপে জন্ম নেওয়া শিশুটিকে দত্তক চান হাজারো মানুষ

প্রকাশের সময় : ০১:২৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর সিরিয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে জন্ম নেওয়া শিশু আয়াকে দত্তক নেওয়ার জন্য হাজারো মানুষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গার মানুষ তার দায়িত্ব নিতে চাইছেন। আয়া যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, সেখানকার ব্যবস্থাপক এমন তথ্য জানিয়েছেন।

সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনদায়ার্স শহরে ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপে জন্ম শিশুটির। সদ্যোজাত শিশুটির মা কিংবা পরিবারের অন্য কেউ বেঁচে নেই। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে ‘আয়া’। আরবি ভাষায় যার অর্থ ‘অলৌকিক’। খবর বিবিসির । উদ্ধারকর্মীরা ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপের নিচে যখন আয়ার সন্ধান পান, তখন সে মায়ের নাড়ির সঙ্গে প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল। সেখান থেকে বের করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে শিশু বিশেষজ্ঞ হানি মারুফের চিকিৎসাধীন সে। মারুফ বলেন, ‘সোমবার যখন তাকে এখানে আনা হয়, তখন তার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। গায়ে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছিল, কালশিটে দাগ ছিল, শরীর ঠান্ডা হয়ে ছিল, শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল।’ তবে আয়ার অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক খালিদ আতিয়াহ বলেন, আয়াকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাকে ফোন করেছেন।

খালিদের নিজেরও চার মাস বয়সী কন্যাসন্তান আছে। তার স্ত্রী এখন নিজের সন্তানের পাশাপাশি আয়াকেও বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে আয়াকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে পোস্ট দিয়েছেন। কুয়েতের এক টিভি উপস্থাপক লিখেছেন, আইনগতভাবে অনুমতি পেলে তিনি আয়াকে দত্তক নিয়ে লালনপালন করার জন্য প্রস্তুত। উল্লেখ্য, তুরস্ক ও সিরিয়ায় গত সোমবারের ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে।