Harding Bridge

 
 

‘এ সেতু চির যৌবনা হয়ে থাকবে’

শতবর্ষে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ : পাদদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠান

ঈশ্বরদী (পাবনা): ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ উদ্বোধনের সময় এর প্রধান প্রকৌশলী স্যার রবার্ট উইলিয়াম গেইলস আবেগঘন কণ্ঠে বলেছিলেন- ‘যে সেতু নির্মাণ করে দিয়ে গেলাম, উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এ সেতু চির যৌবনা হয়ে থাকবে।’ বিশাল আকৃতির এ ব্রিজের নিচে দাঁড়ালে এখনও মনে হয় তার এ কথাটি সত্য। ৪ মার্চ শত বছরে পা রাখল ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। তিনটি সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে এ উপলক্ষে ব্রিজের পাদদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে আয়োজিত কেক কাটা, সাংস্কৃতিক ও আলোচনা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য আজিজুর রহমান শরিফ। শতবর্ষবিস্তারিত পড়ুন


শত বছরে পদার্পণ করল কিংবদন্তির হার্ডিঞ্জ ব্রিজ

ঈশ্বরদী (পাবনা): শত বছরের ঐতিহ্যবাহী পৃথিবীর অন্যতম দর্শনীয় ঈশ্বরদীর অদূরে পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এখনও মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে আছে। অবিভক্ত ভারতের যোগাযোগের ইতিহাসে এই সেতু নির্মাণ এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯১৫ সালের ৪ মার্চ অবিভক্ত ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর যাত্রা শুরু করে ৪ মার্চ শর্তবর্ষে পদার্পণ করল এ ঐতিহাসিক সেতুটি। দেশের সর্ববৃহৎ রেলওয়ে পাকশী হার্ডিঞ্জ সেতু শতবর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে নানা কর্মসূচী ঘোষণা করেছে স্থানীয় হার্ডিঞ্জ সেতু শতবর্ষ উদযাপন পরিষদ। পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ জানান, ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ সেতুর শতবর্ষ পদার্পণবিস্তারিত পড়ুন


হার্ডিঞ্জের শতবর্ষ ৪ মার্চ

পাবনা: ব্রিটিশ আমলের কথা। তখনও সড়ক যোগাযোগ শুরু হয়নি। সড়কে চলত গরু, ঘোড়া ও গাধায় টানা গাড়ি। সেই সময়ে অবিভক্ত ভারতে রেল যোগাযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা করে সরকার। আসাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ সহজ করার লক্ষ্যে পদ্মা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের প্রয়োজন পড়ে। খুলনা থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের জন্য ওই সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়। প্রায় ২৪ হাজার শ্রমিক পাঁচ বছর কাজ করে ইস্পাত দিয়ে সেতুটি তৈরি করে। ১৯১৫ সালের ৪ মার্চ সেই সেতু চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। ওই ঘটনার ১০০ বছর পূর্ণ হচ্ছেবিস্তারিত পড়ুন