Arafat R Koko

 
 

‘কোকো কাহিনি’-৩

মিজানুর রহমান খান: ‘কোকো কাহিনি’ নিয়ে এর আগে দুটি লেখা ছাপা হয়েছে। হাসান ফেরদৌসের পরে সোমবার মাহবুব উদ্দীন খোকন লিখেছেন। তিনি একটি ভালো কাজ করেছেন। ভয়েস অব আমেরিকার কোনো কোনো খবর সম্প্রচারের আগে ঘোষণা আসে যে এতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মতামত প্রতিফিলত হচ্ছে। তেমনি খোকন বলে নিয়েছেন যে তিনি কোকোর আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধটি লিখেছেন। অবশ্য তাঁর পরিচয়ে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদবি রয়েছে। তিনি সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক। বার কাউন্সিলের হিউম্যান রাইটস ও লিগ্যাল কমিটির চেয়ারম্যান। তবে তাঁর লেখাটি পড়ে অনেকের ধারণা হতে পারে যে কোকোর বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুরের সরকারও কোনো সাজানো মামলায়বিস্তারিত পড়ুন


‘কোকো কাহিনি’-২

মাহবুব উদ্দিন খোকন: গত ৩০ জানুয়ারী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে কমর্রত হাসান ফেরদৌসের ‘কোকো কাহিনি’ শিরোনামে প্রথম আলোয় যে লেখা ছাপা হয়েছে, তা পড়লে যেকোনো পাঠকেরই বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে। কারণ, তাঁর লেখার ধরন খুবই সুন্দর। কিন্তু আমার কাছে জনাব ফেরদৌসের বেশির ভাগ বক্তব্য অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক বলে পরিলক্ষিত হয়েছে। হাসান ফেরদৌস লিখেছেন যে আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে করা মার্কিন আদালতে জার্মানির মেসার্স সিমেন্স এজি ও চীনের চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্য মামলা হয়েছে। সিমেন্স কোম্পানি মার্কিন আদালতে কোকোকে ঘুষ দেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। এই টাকার একটিবিস্তারিত পড়ুন


‘কোকো কাহিনি’-১

হাসান ফেরদৌস: আরাফাত রহমান কোকোর জন্য মায়ের শোক, আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে যে রকম মাতম দেখছি, তাতে রীতিমতো আঁতকে উঠেছি। কোনো পত্রিকায় দেখিনি কেউ দুই লাইন লিখে ব্যাখ্যা করেছেন যে তিনি মালয়েশিয়ায় পড়ে ছিলেন কেন? কী অসুখে কোকো মারা গেলেন, তারও কোনো বিবরণ পড়িনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এই ছেলে যে আইন থেকে পালিয়ে বাঁচার জন্য মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন, কেউ সে কথা ঘুণাক্ষরেও উল্লেখ করেনি। তাঁর নামে জেলে ঢোকানোর হুকুমনামা ছিল; কই, সে কথাও কেউ সবিস্তারে জানায়নি। সত্য লুকানোর এ কাজে বিরোধী জোট আগ্রহী হবে তা বুঝি, কিন্তু দেশের পত্রপত্রিকারবিস্তারিত পড়ুন


অঝোরে কাঁদলেন খালেদা জিয়া

ঢাকা: ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে বিদায় জানাতে গিয়ে অঝোর ধারায় কাঁদলেন বেগম খালেদা জিয়া। ২৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে কোকোর লাশ গুলশান কার্যালয় থেকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে বের করার সময় দরজায় দাঁড়িয়ে তাকে বিদায় জানান খালেদা জিয়া। এসময় তার চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় অশ্রু ঝরছিল। এর আগে বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে কোকোর লাশ বহনকারী মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মেজর (অব) হাফিজউদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা লাশ গ্রহণ করেন। পরে খালেদা জিয়ার গুলশানবিস্তারিত পড়ুন


পিতার জানাজার কথা মনে করে দিলো ছেলের জানাজা

ঢাকা: ঘড়ির কাঁটায় বিকেল ৪টা। তখনো আসরের আজান হয়নি। কিন্তু মানুষ আসছে স্রোতের মতো। বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে শেষবিদায় জানাতে মানুষ আসছে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকারমের দিকে। এই মসজিদটি যেন হয়ে উঠেছে জাতীয় ঐক্য, সংহতি আর সহমর্মিতার প্রতীক। মসজিদপানে ছুটে আসা এই মানুষগুলোর চোখে একরাশ বেদনা, হতাশা আর ক্ষোভ। যে মানুষটির জানাজার নামাজে অংশ নিতে তারা এসেছেন সেই মানুষটি দেশে এসেছেন লাশ হয়ে। সাত বছর আগে ওয়ান-ইলেভেনের জবরদখলকারী সরকার তাকে কারারুদ্ধ করেছিল। অসুস্থবিস্তারিত পড়ুন


নিউইয়র্কে দোয়া, গায়েবানা জানাজা, শোক প্রকাশ

কোকোর মৃত্যুর জন্য সরকার দায়ী : ড. ওসমান-খোকা

নিউইয়র্ক: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অকাল মৃত্যুতে নিউইয়র্কে একাধিক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সাথে গায়েবানা জানাজাও অনুষ্ঠিত হয়। শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জ্যাকসন হাইটসে গায়েবানা জানাজা ও দোয়া: আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে গত ২৫ জানুয়ারী রোববার নিউইয়র্কে গায়েবানা জানাযা হয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় বাদ মাগরিব এই জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি চেয়ারপার্সনের অন্যতম উপদেষ্টা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক এবং কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ভাইস-চেয়ারম্যান,বিস্তারিত পড়ুন


কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা’র রিপোর্ট

ছেলের অকালমৃত্যু, হাসিনাকে ঢুকতেই দিলেন না খালেদা

ঢাকা: ব্যক্তিগত সৌজন্যও হার মানল রাজনীতির কুটিলতার কাছে। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের অকালমৃত্যুর পরে সমবেদনা জানাতে শনিবার রাতে তাঁর গুলশনের দফতরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু ভেতর থেকে ফটকে তালা দিয়ে রেখে তাঁকে ঢুকতেই দিলেন না বিএনপি নেতৃত্ব। কিছু ক্ষণ অপেক্ষার পরে নিজের বাড়ি গণভবনে ফিরে যান হাসিনা। বেআইনি মুদ্রা পাচারের মামলায় ৬ বছর কারাবাসের সাজা এড়াতে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে আশ্রয় নিয়েছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফত রহমান কোকো (৪৫)। মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না-থাকার কারণে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়েবিস্তারিত পড়ুন


আরাফাত রহমান কোকো আর নেই

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি……..রাজিউন)। ২৪ জানুয়ারী শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় (স্থানীয় সময়) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৪৫ বছর। মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় বাদ জোহর দেশটির কেন্দ্রীয় মসজিদে ২৫ জানুয়ারী রোববার আরাফাত রহমানের প্রথম জানাজা হবে। তবে লাশ দেশে আনার বিষয়ে শনিবার পর্যন্ত পরিবার বা বিএনপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। ছোট ভাইয়ের লাশ দেখতে লন্ডন থেকে তারেক রহমানের মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।বিস্তারিত পড়ুন