নয়ন-আলী প্যানেলের সাংবাদিক সম্মেলন

২৪ ঘন্টার মধ্যে সোসাইটির নির্বাচন বিষয়ক অনিয়ম দূর করার দাবী

নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ‘নয়ন-আলী’ প্যানেলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সোসাইটির নির্বাচন বিষয়ক বিভিন্ন অনিয়ম ২৪ ঘন্টার মধ্যে সমাধান করে পক্ষপাতহীন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি সহ এই প্যারেলের বাতিল করা দুই সদস্যের প্রার্থীতা পুন:র্বহাল দাবী করেছেন। সোমবার আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবী জানানো হয়।
সিটির জ্যাকসন হাইটসের খাবার বাড়ী রেষ্টুরেন্টের চাইনিজে গত ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ‘নয়ন-আলী’ প্যানেলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আবু নাসের। এরপর আবু নাসের সহ উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা আলী ইমাম শিকদার, কাজী আজহারুল হক মিলন, কাজী আজম, মাকসুদুল হক চৌধুরী প্রমুখ। এসময় ফারুক হোসেন মজুমদার ও মওলানা মাসুম উপস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।
এছাড়াও সাংবাদিক সম্মেলনে ‘নয়ন-আলী’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী সহ প্যানেলের অন্যান্য প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে আবু নাসের তার লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির ইতিহাসে সর্ববৃহৎ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন যে অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন করার কথা ছিলো তা আজ সুদূর পরাহত। কারণ নির্বাচন কমিশন গত ৪ সেপ্টেম্বর চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলে ‘নয়ন-আলী’ প্যানেরে দুইজন সদস্যকে আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহনের অযোগ্য ঘোষণা করে। এতে সোসাইটির নির্বাচে এক কালো মেঘের ছায়া নেমে এসেছে। এবং প্রতিপক্ষ পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি পদপ্রার্থী এই নির্বাচনে গঠনতন্ত্র মতে অযোগ্য হলেও নির্বাচন কমিশন তাকে নির্বাচন-যোগ্য বলে ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত গঠনতন্ত্র বিরোধী। নির্বাচন কমিশন এখন মূলত: কার্যকরী কমিটির কতিপয় ব্যক্তির স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যস্ত।
আবু নাসের আরো অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের রিপেক্ষতা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন প্রার্থী এবং ভোটারদের কাছে সকল বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়েছে। কমিশন একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে নির্বাচিত করতে ব্যস্ত এবং সকল মহলের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ ও নজিরবিহীন নির্বাচন করতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সোসাইটির নির্বাচনে প্রার্থীদের ‘লাস্ট নাম’ দিয়ে ব্যালট পেপার করা হয়ে আসছিলো। এই প্রথম নির্বাচন কমিশন ‘প্রথম (ফাস্ট) নাম’ দিয়ে ব্যালট পেপার প্রস্তÍত করেছে। কিন্তু আমরা বার বার বলার পরও ৪০ বঃসরের ঐতিহ্য ভঙ্গ করে এই কমিশন তার মর্জি মাফিক ব্যালটে পেপার প্রস্তত করেছে। অপরদিকে নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র মতে একটি অসম্পূর্ন কমিশন। একজন কমিমনার পদত্যাগ করার কারণে কার্যকরী কমিটি তার মূলপদে নতুন একজনকে নিয়োগ করবে, তা ছিলো গঠনতান্ত্রিক।৭জন নির্বাচন কমিশনারের স্থলে ৬জন কমিশনের সদস্য এবং তারাই নির্বাচন পরিচালনা করছেন।
আবু নাসের বলেন, নির্বাচন ঘিরে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য ট্রাষ্টিবোর্ডের প্রথম সভায় কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় পরবর্তীতে এক সপ্তাহের মধ্যে পরবর্তী সভা আহ্বানের জন্য ট্রাষ্টিবোর্ডের সদস্য আজহারুল হক মিলন-কে দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু সেই সভায় কেউ কেউ আসলেও অফিস তালাবদ্ধ ছিলো। ফলে সভা না করে ফিরে আসতে হয়।
আবু নাসের তার বক্তব্যে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সোসাইটির নির্বাচন বিষয়ক সমস্যা সমাধানের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবী জানান।
সাংবাদিক সম্মেলনে আলী ইমাম শিকদার তাদের প্যানেলের বিভিন্ন অভিযোগের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং কাজী আজহারুল ইসলাম মিলন ট্রাষ্টি বোর্ডের সভা না হওয়ার প্রেক্ষপট তুলে ধরেন।
অপরদিকে মাকসুদুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা প্যানেলের পক্ষ থেকে দুজন প্রতিনিধি নির্বাচন কমিশনের সাথে সোমবার (৮ অক্টোবর) সাক্ষাৎ করে ‘নয়ন-আলী’ প্যানেলের দাবী সহ নির্বাচন কমিশনের অনিয়ম তুলে ধরেছি।






একই ধরনের খবর

  • নাসাউ কলিসিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানাই আসল ফোবানা
  • ফোবানা’র ‘ট্রেড মার্ক’ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়
  • ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন বিশ্বব্যাপী জোরদার করতে হবে
  • নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে নারীরাও এগিয়ে চলেছে
  • মমিন মজুমদারের মাতৃবিয়োগ
  • নিউইয়র্কে বিপুল উৎসাহে থ্যাংকস গিভিং ডে পালিত
  • অনিশ্চিত নির্বাচন ॥ শুনানীর নতুন তারিখ ৮ জানুয়ারী
  • এস্টোরিয়ায় প্রতিবাদ সভা ২ ডিসেম্বর
  • Shares