যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-২০২০

সুপার টুইসডের ভোটে চমক : ডেমোক্রেট প্রাইমারী বড় উত্থান বাইডেনের

হককথা ডেস্ক: শুরুর দিকে ভালো ফল না করতে পারলেও সুপার টুইসডের ভোটে চমক দেখিয়ে ডেমোক্রেট পার্টির মনোনয়ন লড়াইয়ে শীর্ষে চলে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) অনুষ্ঠিত ১৪টি অঙ্গরাজ্যের ককাস ও প্রাইমারীর মধ্যে বেশিরভাগগুলোতে জিতে প্রতিনিধি সংখ্যায় তিনি বার্নি স্যান্ডার্সকে বেশ খানিকটা পেছনে ফেলতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সুপাই টুইসডের প্রাইমারীতে বাইডেন ম্যাসাচুসেটস, মিনেসোটা, ওকলাহোমা, আরাকানসো, আলাবামা, টেনেসি, নর্থ ক্যারোলাইনা ও ভার্জিনিয়াতে তিনি স্পষ্ট ব্যবধানে জিতেছেন বলে আমেরিকান গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। টেক্সাস এবং মাইন-এ তিনি সামান্য এগিয়ে থাকলেও ভারমন্টের সিনেটর স্যান্ডার্সের সঙ্গে তার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। ফেব্রæয়ারীতে হওয়া প্রাইমারী ও ককাসগুলোর পর শীর্ষে থাকা স্যান্ডার্স জিতেছেন ভারমন্ট, কলোরাডো ও ইউটাহতে। ব্যাপক সংখ্যক ডেলিগেট বা প্রতিনিধি সম্বলিত ক্যালিফোর্নিয়াতেও তিনি ব্যাপক ভোটে এগিয়ে আছেন।
ক্যালিফোর্নিয়ায় জিতলে তা বামঘেঁষা এ রাজনীতিককে খানিকটা সুবিধা করে দিতে পারে বলে অনুমান বিশ্লেষকদের। সুপার টুইসডের মাধ্যমে এক তৃতীয়াংশ রাজ্যে ডেমোক্রেটদের মনোনয়ন লড়াইয়ের সমাপ্তি ঘটল।
এদিনের লড়াইয়ে নিউইয়র্কের সাবেক মেয়র মাইকেল বøমবার্গ, সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন ও কংগ্রেস সদস্য তুলসি গ্যাবার্ড ছিলেন। আমেরিকান সামোয়ার ককাস ছাড়া কোথাও বøুমবার্গ ভালো করেননি। মনোনয়ন লড়াইয়ে থাকবেন কিনা, বুধবার তা নিয়ে আমেরিকান এ ধনকুবের নিজেই মূল্যায়ন করবেন তার প্রচার শিবিরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে মঙ্গলবারের পর নভেম্বরের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীতার লড়াই এখন কেবল স্যান্ডার্স আর বাইডেনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়তে যাচ্ছে বলে ভাষ্য পর্যবেক্ষকদের। কয়েকদিনের ব্যবধানে পিট বুটেজেজ ও অ্যামি ক্লবুচারের সমর্থন জোগাড়ও সাবেক এ ভাইস প্রেসিডেন্টের সহায় হয়েছে। অন্যদিকে ডেমোক্রেট ‘প্রগতিশীল’ ঘরানার ওয়ারেন লড়াইয়ে থাকায় ভোট কমেছে স্যান্ডার্সের। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাইডেন ও স্যান্ডার্সের ব্যাগে ৩৯৬ ও ৩১৪ ডেলিগেট ঢুকেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
বার্নি স্যান্ডার্স

বিশ্লেষকরা বলছেন, যেসব রাজ্যে আফ্রিকান-আমেরিকান ভোটার বেশি ছিল, সেসবগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টই ভালো ফল করেছেন।
সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্পকে হারাতে দরকার, এমন উদ্দীপনা বাইডেনের প্রচারে দেখা যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন রাজনীতি ও আমেরিকান প্রশাসনে থাকায় তার বিরুদ্ধে প্রচারের জন্য অনেক মালমশলাই রিপাবলিকানদের হাতে থাকতে পারে। অন্যদিকে স্যান্ডার্সের প্রচারে উদ্যম থাকলেও স্বঘোষিত এ ‘সোশাল ডেমোক্রেট’-এর পক্ষে দোদুল্যমান ভোটারদের সমর্থন জেতা বেশ কষ্টসাধ্য।
৭৮ বছর বয়সী এ রাজনীতিক (বার্ণি স্যান্ডার্স) অবশ্য তার প্রচারে আমেরিকার অর্থনীতির খোলনলচে বদলে ফেলার প্রতিশ্রæতি দিচ্ছেন। বলছেন- স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে অধিক সরকারি বিনিয়োগ এবং ধনীদের ওপর বেশি কর আরোপের কথাও। (দৈনিক সংগ্রাম)






একই ধরনের খবর

  • নিউইয়র্কের মেয়র ব্লাজিও প্রার্থী
  • বুড়ো বয়সে ভিমরতি! সহকর্মীকে চুমু খেয়ে বিপদে বাইডেন
  • পরাজয়ের কারণ কোমি : হিলারি
  • পর্যালোচনা : যেকারণে হিলারির পরাজয়
  • আপনি জানেন কি? ডেমোক্রেটদের দুর্গ নিউইয়র্কে আপনার প্রতিবেশী কার পক্ষে ভোট দিয়েছেন!
  • হোয়াইট হাউসে ওবামা-ট্রাম্প প্রথম বৈঠক
  • এটা কষ্টের, এ বেদনা দীর্ঘ সময় থাকবে: নির্বাচনোত্তর ভাষণে হিলারি
  • Shares