রাজনীতি : ক্যাটেলিনাকে বাঙালী বানিয়েছে

হককথা ডেস্ক: ক্যাটেলিনা ক্রুজ আমেরিকার রাজনীতিতে একজন নবাগত। তিনি প্রথমবারের মত ডিস্ট্রিক্ট-৩৯ থেকে অ্যাসেম্বলীম্যান পদে নির্বাচন করে জয়লাভ করেন। তার নির্বাচনী এলাকার মধ্যে রয়েছে জ্যাকসন হাইটস, এলমহার্স্ট এবং করোনা। এ সব এলাকায় ব্যাপাক সংখ্যক বাংলাদেশীর বসবাস। বিশেষ করেন জ্যাকসন হাইটসতো এখন বাংলাদেশীদের দখলে। যে কারণে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেয়ার সাথে সাথেই বাংলাদেশী কম্যুনিটির সাথে বৈঠক করেছিলেন এবং নির্বাচনে বাংলাদেশীদের নিয়েই তিনি মাঠে নেমেছিলেন। সবার স্বত:স্ফূর্ত সমর্থনে তিনি জয়লাভ করেন। নির্বাচনের সময় তিনি বাংলাদেশী কম্যুনিটির কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি নির্বাচিত হলে তার অফিসে একজন বাংলাদেশী নিয়োগ করবেন এবং বাংলাদেশীদের পাশে থাকবেন সব সময়। তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। তার অফিসে আফসানা নামে একজন বাংলাদেশীকে নিয়োগ দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই আলবেনীতে বাংলাদেশী কম্যুনিটির স্বার্থে কাজ শুরু করেছেন। তিনি ২৬ মার্চ পতাকা দিবসের বিল পাস করিয়েছেন। এখন থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ আবেনীতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। অনেকেই এটাকে বাংলাদেশীদের জন্য বিশাল অর্জন বলে দাবি করেছেন।
ক্যাটেলিনা ক্রুজ একজন আমেরিকান। নির্বাচন এলে অনেক রাজনীতিবিদই বাংলাদেশীদের সহযোগিতা কামনা করেন। কিন্তু নির্বাচিত হবার পর অনেকেই আর বাংলাদেশীদের খবর রাখেন না। কিন্তু ক্যাটেলিনা ক্রুজ সবার চেয়ে ভিন্ন। যখন নিউজিল্যান্ডে মুসলমানদের উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিলো তখন তিনি বাংলাদেশীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন মসজিদ পরিদর্শন করেন এবং সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। গত ২৬ এপ্রিল ক্যাটেলিনা ক্রুজ দুটো অনুষ্ঠানে যোগ দেন। একটি ছিলো নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কন্স্যুলেটে বৈশাখ বরণ অনুষ্ঠানে। আরেকটি ছিলো প্রজাপতি ঘরের ভালবাসার এক সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে। এই দুটো অনুষ্ঠানে তাকে দেখে অনেকেই চমকে উঠেছিলেন। কারণ একজন বিদেশী হয়েও তিনি বাঙালী পোশাক পরেছেন। অর্থাৎ তিনি শাড়ি পরে পুরো বাঙালী সেজেছিলেন। শাড়ি পড়ে তিনি বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন। কারণ তিনি এই পোশাকে অভ্যস্ত নন। যে কারণে বার বার তাকে শাড়ি ঠিক করতে হচ্ছিলো। তারপরেও তার সুন্দর মুখে ছিলো চমৎকার হাসি। এমনিতেই তিনি খুব সুন্দরী। শাড়ি পরার পর তাকে আরো সুন্দরী লাগছিলো। দেখে মনে হলো আপাদমস্তক এক বাঙালী ললনা। বাঙালীদের মন জয় করতেই তিনি শাড়ি পড়েছিলেন- একথা বিনা চিন্তায় বলা যায়। অনেকেই বাঙালীদের সহযোগিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, কিন্তু কেউ ক্যাটেলিনার মত বাঙালী সাজেননি। যেখানে বাঙালীরা বাঙালী সাজতে সংকোচন বোধ করেন, সেখানে একজন ভীন দেশী বাঙালী সাজলেন। রাজনীতি মানুষকে কী না করে? অনেকেই বলেছেন- রাজনীতি ক্যাটেলিনাকে বাঙালী বানিয়েছে। (সাপ্তাহিক ঠিকানা)



« (পূর্ববর্তী খবর)



একই ধরনের খবর

  • কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ সমাবেশ
  • সাঈদ-উর রব হৃদরোগে আক্রান্ত : হার্ট সার্জারী সম্পন্ন
  • নিউইয়র্ক-কানাডায় কোটি কোটি ডলারের সম্পত্তি
  • জ্যামাইকায় যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য সংগ্রহ সভা
  • নিউইয়র্কে যুব প্রফেশনালদের সভায় বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা
  • অ্যাসেম্বলীম্যান অরটিজের বাংলাদেশী স্টাফ মারুফ গ্রেফতার
  • ২৫ আগস্ট জেবিবিএ’র পথমেলা
  • বিভক্ত ফোবানা এগিয়ে চলছে : সবার দৃষ্টি ১৬ আগষ্ট
  • Shares