বিশ্ব মানবতার শান্তি ও কল্যাণ কামনা : উত্তর আমেরিকায় পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত

বিশেষ প্রতিনিধি: যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা আর উৎসবমুখর পরিবেশে প্রিয় বাংলাদেশ, প্রবাস সহ বিশ্ব মানবতার শান্তি ও কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সহ উত্তর আমেরিকায় রোববার (১১ আগষ্ট) পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত হয়েছে। মুসলমানদের অন্যতম প্রধান এই ধর্মীয় উৎসব পালন উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত মুসলমানগণ এদিন স্বপরিবারে নিকটস্থ মসজিদ ও খোলা মাঠে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন। শনি ও রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় শিক্ষার্থী ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ঈদ জামাতে যেতে পারায় প্রবাসীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলসমূহে ঈদের দিন ছুটি থাকলেও সেটি কাজে লাগলো না এবার ‘সামার ভেকেশান’-এ ঈদ হওয়ায়। সর্বত্রই শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
চমৎকার আবহাওয়া থাকায় নিউইয়র্কসহ উত্তর আমেরিকায় অনেক খোলা মাঠে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এবার অধিকাংশ ঈদ জামায়াত সকাল ৭ থেকে সাড়ে ১০ টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামাতগুলোতে নামে প্রবাসীদের ঢল। মুসল্লীদের মুখে মুখে ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাললাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মসজিদ আর ঈদগাহ প্রাঙ্গণ।
নিউইয়র্কে ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কুইন্সে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর আয়োজনে। স্থানীয় থমাস হাই স্কুল খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত এ ঈদ জামায়াতে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লী অংশ নেন বলে আয়োজকরা দাবী করেন। অন্যান্য বৃহৎ জামাতগুলোর মধ্যে ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার জামে মসজিদ, ওজোনপার্কে মসজিদ আল আমান, এস্টোরিয়ায় আল আমিন মসজিদ, ব্রুকলীনে বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার ও বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ব্যবস্থাপনায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি): নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের পরিচালনায় অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর উদ্যোগে স্থানীয় জ্যামাইকার থমাস হাই স্কুলে মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লী একত্রে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এই জামাতে ইমামতি, খুৎবা পাঠ করেন মসজিদের খতিব ও ইমাম মির্জা আবু জাফর বেগ। এছাড়াও বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন হাফিজ মোজাহিদুল ইসলাম। জেএমসি আয়োজিত ঈদুল আযহার নামাজের আগে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের কমিশনার জেমস ও’নীল, নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলীম্যান ডেভিড ওয়েপ্রীন, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান কষ্টা ডি কনস্ট্যান্টিনিডি, জেএমসি’র ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের পক্ষে ডা. নাজমুল খান, পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ রহমান প্রমুখ উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এই পর্ব পরিচালনা করেন জেএমসি’র সেক্রেটারী মনজুর আহমেদ চৌধুরী।
মসজিদ মিশন মসজিদ: জ্যামাইকার বাংলাদেশ মিশন (হাজী ক্যাম্প) মসজিদে গত ১১ আগষ্ট রোববার ঈদুল আজহার দু’টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত প্রথম জামাতে ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা মঞ্জুরুল করীম এবং সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন হাফেজ অকিব।
দারুস সালাম মসজিদ: জ্যামাইকা দারুস সালাম মসজিদের উদ্যোগে ঈদের ৪টি জামাত অনুষ্ঠিত হয় মসজিদের ভিতরে। প্রথম জামাত সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এবং শেষ জামাত সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।
এছাড়াও কুইন্সের জ্যামাইকার আল আরাফা ইসলামিক সেন্টারের উদ্যোগে হিলসাউড এভিনিউস্থ সুসান বি এন্থনী স্কুল মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
মদিনা মসজিদ: ম্যানহাটানের মদিনা মসজিদের উদ্যোগে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় মসজিদ সংলগ্ন ওজোন রোড পার্কে।
নিউইয়র্ক ঈদগাহ: নিউইয়র্ক ঈদগাহের উদ্যোগে ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হয় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায়। সকাল ৭টায়, ৮টায়, ৯টায়, ১০টায় এবং সকাল ১১টায় ঈদের জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ঈদ জামাতে নিউইয়র্ক ঈদগাহর প্রতিষ্ঠাতা ইমাম কাজী কায়্যূম সহ অন্যন্যরা পর্যায়ক্রমে ইমামতি করেন। এসব জামাতে বিপুল সংখ্যক পুরুষ, মহিলা ও ছোট্টমনিদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত।
আমেরিকান মুসলিম সেন্টার: আমেরিকান মুসলিম সেন্টারের উদ্যোগে জ্যামাইকার সার্টফিন বুলেভার্ডের রুফস কিং পার্কে ঈদুল আজহার দুটি জামাত যথাক্রমে সকাল ৮টা ও সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশীদের পাশাপাশি প্রচুর বিদেশীদের সমাগম ছিলো। মোনাজাতে আমেরিকা ও দেশের কল্যাণ, মুসলিম জাহানের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
বায়তুল মামুর মসজিদ এন্ড কমিউনিটি সেন্টার: নিউইয়র্কের বাংলাদেশী অধ্যুষিত ওজন পার্ক এলাকার সুপরিচিত মসজিদ বায়তুল মামুর মসজিদ এন্ড কমিউনিটি সেন্টারের উদ্যোগে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা আবদুর রহমান। জামাতের আগে মুসল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ইউএস কংগ্রেসম্যান হাকিম জ্যাফরি, কমিনিটি লিডার ক্রিস ব্যাংক, ড. জাহাঙ্গীর কবিরসহ অন্যান্য কমিউনিটি নেতারা।
ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার জামে মসজিদ: নিউইয়র্কে বাংলাদেশী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার জামে মসজিদে ১১ আগস্ট রোববার ঈদের দু’টি জামাত অনুষ্ঠিত হয় মসজিদ এবং মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায় সকাল ৮টায় এবং সকাল ৯টায়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় বিপুল সংখ্যক মুসল্লী জামাত দু’টিতে পৃথকভাবে নামাজ আদায় করেন। প্রথম জামাতে ইমামতি, খুৎবা পাঠ ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মোস্তাক আহমদ চৌধুরী। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন হাফিজ আদিল মিয়া। দ্বিতীয় জামাতে মসজিদের তৃতীয় তলায় মহিলারা নামাজ আদায় করেন। মসজিদ কমিটির দক্ষ ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে ঈদের জামাত দু’টি অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাবাজার জামে মসজিদ: ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার জামে মসজিদের উদ্যোগে ১১ আগস্ট রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় মসজিদের নিকটবর্তী খোলা মাঠে (আইএস ১০৬ প্লে গ্রাউন্ড) বিশাল ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে ইমামতি, খুৎবা পাঠ ও দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাবাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল কাশেম ইয়াহইয়া। জামাতের আগে বাংলাবাজার জামে মসজিদ ও স্টারলিং বাংলাবাজার বিজনেস এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ গিয়াস উদ্দিন মসজিদের সংক্ষিপ্ত কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, সকলের সহযোগিতায় মসজিদটি ব্যাংক ঋণ মুক্ত হয়েছে। বর্তমানে ৪০/৪৫ হাজার ডলার কর্জে হাসানা রয়েছে। কর্জে হাসানার সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ সময় আলহাজ গিয়াস উদ্দিন বলেন, মসজিদে জুমার নামাজে দু’টি পৃথক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তার পরও স্থান সংকুলান না হওয়ায় মুসল্লীদের বাইরে জুমার নামাজ আদায় করতে হয়। ক্রমবর্ধমান মুসল্লীদের নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে মসজিদটিকে আরো বৃহৎ পরিসরে গড়ে তোলার জরুরী হয়ে পড়েছে। মসজিদ কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এজন্য সকলের আর্থিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। নামাজ শেষে মুসল্লীদের মাঝে ঈদের সেমাই, খেজুর ও পানি বিতরণ করা হয়।
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)

এছাড়াও জ্যামাইকার হিলসাইড ইসলামিক সেন্টার, ফুলতলী ইসলামিক সেন্টার এন্ড মসজিদ, মসজিদ আবু হুরায়রা, মোহাম্মদী সেন্টার, ওজনপার্কের আল আমান জামে মসজিদ, দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদ, আল ফোরকান জামে মসজিদ, ব্রুকলীনের বাংলাদেশ মসুলিম সেন্টার, বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদ, আসসাফা মসজিদ, আমেরিকান মুসলিম সেন্টার, গাউছিয়া মসজিদ, ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার ইসলামিক সেন্টার, ব্রঙ্কস মুসলিম সেন্টার প্রভৃতি মসজিদের উদ্যোগে ঈদুল আযহার একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি, নিউজার্সী, কানেকটিকাট, ম্যারিল্যান্ড, পেনসেলভেনিয়া, ভার্জেনিয়া, ওয়াহিও, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোরিনা, সাউথ ক্যারোলিনা, জর্জিয়া, মিশিগান, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, এরিজোনাসহ প্রভৃতি অঙ্গরাজ্যে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব অঙ্গরাজ্যে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা এলাকার মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার ও খোলা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)

ঈদের দিন সকাল বেলায় মুসলিম পরিবারের সদস্যরা নানা রঙের পাজামা পাঞ্জাবি, শাড়ী, সালওয়ার কামিজ পরে নিকটস্থ মসজিদ কিংবা খোলা মাঠে হাজির হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। প্রায় ২৭ শতাধিক মসজিদ ছাড়াও খোলা মাঠ, কমিউনিটি সেন্টারে এবং বিলাসবহুল হোটেলের বলরুমে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ পোষাক পরিধান করে একত্রে বিপুল সংখ্যক মুসল্লীর ঈদের নামাজ আদায়ের বিষয়টি ভীন দেশীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। ঈদের জামায়াত গুলোতে স্থানীয় রাজনীতিক, সমাজসেবী, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ প্রবাসের নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।
ঈদের নামাজে কমিউনিটি, দেশ, জাতি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণ সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া মুনাজাত করা হয়। পরে একে অন্যের সাথে আলিঙ্গনের মাধ্যমে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় তৈরী হয় ভিন্ন এক আমেজ।
নামাজ শেষে কেউ কেউ চলে যান কোরবানির পশু জবাই করতে খামারে বা হালাল স্লটার হাউজে। অনেকে আবার ঈদের নামাজ আদায় করেই চলে যান কাজে। অধিকাংশ প্রবাসী অবশ্য আগে থেকেই স্থানীয় গ্রোসারী ও রেষ্টুরেন্টে কোরবানীর অর্ডার দিয়ে রাখেন। সুবিধামত সময়ে গ্রোসারী ও রেষ্টুরেন্ট থেকে প্রবাসীরা তাদের পশু কোরবানীর মাংস নিয়ে যান। তবে গ্রোসারী ও রেষ্টুরেন্ট অধিকাংশ কোরবানীর মাংস সরবরাহ করে ঈদের পরদিন। প্রবাসীরা গরু ও খাশী কুরবানি দেন। কিন্তু দেশের মতো পশু কিনে নিজ বাড়িতে নিয়ে কোরবানি করার সুযোগ না থাকায় উৎসবের ঘাটতির কথা জানালেন কেউ কেউ। তারা জানালেন, দেশের মতো ঈদের আনন্দ পাওয়া যায় না প্রবাসে। অনেকে আবার সুন্দর পরিবেশে পবিত্র ঈদ উল আযহার নামাজ আদায় করতে পেরে ভীষণ খুশী। বললেন, অনেকটা দেশের মতই লাগছে। তবে দেশে থাকা মা-বাবা, পরিবারকে খুব করে মনে পড়ার কথা জানালেন তারা। ঈদের নামাজ শেষে ঘরে ফিরেই ফোনে বাংলাদেশে স্বজনদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ঈদের নামাজ আদায়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটির ব্যবস্থাপনা এবং সিটি প্রশাসনের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল উল্লেখ করার মত। প্রায় প্রতিটি জামাতের আশপাশেই ছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ পুলিশি টহলও লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের নামাজ আদায়ের স্থানগুলোর আশপাশের রাস্তায় ফ্রি গাড়ী পার্কিং থাকায় দূর দূরান্ত থেকে নির্বিঘেœ বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লী সপরিবারে ঈদের নামাজে শরীক হন।

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)



« (পূর্ববর্তী খবর)



একই ধরনের খবর

  • অ্যাসেম্বলীম্যান অরটিজের বাংলাদেশী স্টাফ মারুফ গ্রেফতার
  • ২৫ আগস্ট জেবিবিএ’র পথমেলা
  • বিভক্ত ফোবানা এগিয়ে চলছে : সবার দৃষ্টি ১৬ আগষ্ট
  • ‘জাতীয় শোক দিবস’ ১৫ আগস্ট স্মরণে নিউইয়র্কে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ
  • ঈদের শুভেচ্ছা
  • যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল আযহা ১১ আগস্ট
  • নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু বইমেলা ২০-২২ আগষ্ট
  • Shares