বিএনপিকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে

সামসুল ইসলাম মজনু: বাংলাদেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি একটি অপরিসীম দল হিসাবে বিবেচিত, বাংলাদেশ নামক দেশটার বিশ্বের মানচিত্রে বাঁচিয়ে রাখতে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধরে রাখার জন্য দলটির প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। অথচ দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় দলটি এমন কঠিন সময় পার করবে আমার মনে হয় দলটির নেতা-কর্মীরাও ভাবতে পারেনি।
“আমার নেত্রী, আমার মা জেলে নিতে দেবো না” বা “আমার নেত্রী, আমার মা, বন্দী থাকতে দেবো না” ইত্যাদি ইত্যাদি জনপ্রিয় শ্লোগান মুখরিত হলেও কার্যত কোন ভ‚মিকা নেতা-কর্মীরা রাখতে পেরেছে বলে মনে হয় না। ইদানিংকালের বাংলাদেশের সব চাইতে জনপ্রিয় নেত্রী এতদিন জেলে থাকবেন এমন কি ঈদের সময়ও তাকে বন্দী জীবন কাটাতে হবে যা নাকি দলীয় নেতৃত্বের কাছে ধারনার বাইরে। ক্ষমতাসীন শেখ হাসিনার দলীয় সরকার ২০১৪ সালের ভোটার বিহীন অবৈধ নির্বাচন করে এবং ১৫৩ জনকে বিনা ভোটে নির্বাচিত করে দ্বিতীয় মেয়াদে যখন সরকার গঠন করে তখন থেকে খালেদা জিয়াকে বন্দী করার জন্য সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যায়। একে একে প্রশাসন যন্ত্র এবং বিচার ব্যবস্থা ব্যবহার করে খালেদা জিয়াকে দোষী স্যাবস্ত করে জেলে পাঠায়। শুরুতে ধরে নেয়া হয়েছিল তাকে দোষী সাব্যস্থ করে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করবে, কিন্তু না তাকে নির্বাচন থেকে দূরে নয়, তাকে এ পৃথিবী থেকে চিরতরে সরিয়ে দেয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার।
সম্প্রতি খালেদা জিয়ার মাইল্ড ষ্ট্রোক হলে কারা কর্তৃপক্ষ সুগার লেভেল নিচে নেমে গেছে বলে প্রচার করছে, যেখানে বাংলাদেশের খ্যাতনামা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (যিনি সম্প্রতি অবসরে গেছেন) তিনি বলেছেন মাইল্ড স্ট্রোকের কথা, সেখানে হাস্যকর মতামত দিচ্ছেন সরকারের মন্ত্রী মহোদয় এবং তারা এমনও মন্তব্য করছেন যা নাকি প্রকান্তরে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা না হউক এটাই তারা চাচ্ছেন।
আমরা সবাই জানি সাধারণত একজন মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন রোগের উপমা দেখা দেয়, তবে এগুলোকে চিকিৎসা করে নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করা হয়। অথচ খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে ভিন্নতা অবলম্বন করছে সরকার। শুধু কি তাই যেখানে খালেদা জিয়ার নিজ খরচে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুক সেখানে সরকার ইনিয়ে বিনিয়ে চাইছে সরকারী হাসপাতালে পাঠাতে, কারণটা হলো বর্তমান শাসক গোষ্ঠী চাইছে তথ্য গোপন করে খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা থেকে দূরে রাখতে এতে করে খালেদা জিয়াকে যেন দেশবাসী থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় এবং কর্ম ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন অথবা মৃত্যু মুেেখ ঢলে পড়েন।
খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আজ পর্বততুল্য আপোষহীন নেত্রী জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌছে যাবেন, তা বর্তমান শাসক গোষ্ঠী কখনই কল্পনা করতে পারে নাই যে নেত্রী তার ভালবাসা ও যোগ্যতা দিয়ে অর্জন করেছেন নেতৃত্ব ও শ্রদ্ধাবোধ, সেখানে পেশী শক্তি দিয়ে প্রশাসন যন্ত্র ব্যবহার করে এবং অবর্ণনীয় ব্যবহার করে তাদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার নীল নকশা কতটুকু সফলতায় নিয়ে যাবে তা প্রশ্নাতীত? তারা চাইছে তত্ত¡াবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলে অবৈধ আইন কার্যকরী করে আজীবন প্রধানমন্ত্রী তথা ক্ষমতায় থাকার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমান শাসক গোষ্ঠী। তাদের এই অশুভ চিন্তা কতটুকু কার্যকরী করতে পারবে, আমি এতে সন্দিহান, তবে তারা নিজেরাই বলছেন “নির্বাচনে হারলে পালানোর রাস্তা পাবে না” এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ‘এত উন্নয়নের পরেও জনগণ যদি তাদের ভোট না দেয়, তবে কি আমি এটা বলতে পারি না তারা নিজেরাই জানেন সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতায় ঠিকে থাকা সম্ভব নয়। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ‘জনগন প্রশবিদ্ধ নির্বাচন চায় না, তার মানে তাদের বিগত নির্বাচনগুলো যে প্রশ্নবিদ্ধ এটাই প্রমানিত। তবে একটা কথা বলে রাখা ভাল আওয়ামী শাসক গোষ্ঠীর এ সকল বক্তব্য শুনে যদি বিএনপি নেতা কর্মীরা আনন্দে গদ গদ হয়ে ক্ষমতার আশা করেন তবে এটা হবে মারাত্মক ভুল, রাজনীতির কুট চালে আওয়ামী লীগ সিদ্ধ হস্ত, মিথ্যা বলা, বেঈমানী করা ইত্যাদি ইত্যাদি করে যেন তেন ভাবে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে মরিয়া, বর্তমান শাসক গোষ্ঠী বিগত কার্যক্রমে বহুবার প্রমাণিত হয়েছে।
খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে বর্তমান সরকার তার উপর চরম অন্যায় আচরণ করছে, সরকারী লোকেরা বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর পেয়েছেন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করলে এবং নির্বাচনে একটু সুযোগ দিলে সরকারের ভরাডুবি হবে। এটা নিশ্চিত জেনেই তাকে দীর্ঘ মেয়াদী বন্দী করে রাখার সকল প্রস্তুতি, তাকে জেলে রেখেই চাইছে যেন তেন নির্বাচন করতে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আপোষহীন নেত্রী, নেতৃত্বের আস্থায় বলিয়ান, তাকে সহজে নড়ানো যায় না, এটা সরকারী দলের লোকেরা ভাল জানেন, তাই সরকারী লোকজন বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ দিয়ে দলকে, দলের লোকদের সাথে নেতৃবৃন্দের সাথে কিভাবে দ্ব›দ্ব লাগবে, কিভাবে একে অপরের বিরুদ্ধাচারণ করবে সুক্ষভাবে সরকার প্রতিয়িনত চেষ্টা করে যাচ্ছে, এমনকি কোন কোন সিনিয়র নেতাদের লোভাতুর প্রস্তাব দিচ্ছে তার উপর সরকারী লোকেরা খালেদা জিয়ার ভাই সহ আপন আত্মীয় স্বজনকে দেখা করার সুযোগ দিলেও দলের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতাদের দেখা করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে। সরকার চাইছে পরিবারের সাথে নেতাদের বিরোধ সৃষ্টি করে ফায়দা লুটতে। এ সকল বিষয়ে নেতা কর্মীদের সজাগ থাকতে হবে, বাংলাদেশের জনগণ বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে আর সেক্ষেত্রে বিএনপি যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে তবেই ঝামেলা, এজন্য কঠিন মাশুল দিতে হবে।
বলতে দ্বিধা নেই যে, বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে মুলতঃ ব্যক্তি কেন্দ্রীক আর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলও এর বাইরে নয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি নামক দলের প্রতিষ্ঠাতা, তার অনুপস্থিতিতে যিনি দলের দায়িত্ব নিয়ে, নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন তিনি হলের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বাংলাদেশের ইতিহাসে যার নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে, সংসদীয় নির্বাচনে নির্বাচিত তিন, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি সরকার বরবরোচিত আচরণ করছে, মিথ্যা মামলা সাজিয়ে জেলে বন্দী করে রেখেছে, বর্তমানে কারাগারে মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছেন বেগম জিয়া। বন্দী অবস্থায় যাওয়ার আগে দেশনেত্রী নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন কিছুতেই যেমন এমন আন্দোলন না করি এতে করে সরকারী লোকেরা নিজেরা বাসে আগুন দিয়ে বিরোধীদলের উপর দোষ চাপায়, যা নাকি তারা অতীতেও করেছে। কঠিন অবস্থা, নেতৃত্বের নির্দেশ মানতে গিয়ে নিরব কর্মসূচী প্রতিবাদ সভা, অনশন ইত্যাদি করছে অন্যদিকে সরকার তার প্রশাসন যন্ত্র ব্যবহার করে পুরাদমে ফায়দা নিচ্ছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দু’টি সিটি নির্বাচনে নিলজ্জভাবে প্রশাসন যন্ত্র ব্যবহার করে এবং পেশী শক্তি ও জালিয়াতি করে ভোটের রায় নিজেদের করেছে, হাতে নাতে প্রমাণ দিলেও তল্পীবাহক নির্বাচন কমিশন প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন বাতিল না করে সরকারী প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করেছেন, এখন আবার নতুন করে তিন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করেছেন, বিগত দু’টি নির্বাচনের ফলাফল বিপক্ষে গেলেও নতুন ঘোষিত তিনটা নির্বাচনকে দলের সিনিয়র নেতারা বলছেন এসিড টেষ্ট, আর কত এসিড টেষ্ট দিবেন? বর্তমান সরকার সহজে নির্বাচনী ফলাফল তাদের বিপরীতে তথা ক্ষমতা সহজে ছাড়বে না এ কথাটি কানায়ও ভাল জানে/বুঝে। মাঝে মাঝে সন্দেহ হয় তাদের এসকল কথা র্বাতায়, আবারও ষড়যন্ত্র চলছে নাকি? যাই হউক না ষড়যন্ত্র করে ক্ষনিকের আনন্দ পেলেও ইতিহাসে তাদের নাম থাকবে বিশ্বাস ঘাতকের খাতায়। দলের একজন নুন্যতম কর্মী ও শুভাঙ্খাকী হিসাবে বলতে চাই বিএনপিকে ঘুরে দাড়াতেই হবে।
২০১৮ সাল বিএনপি’র বড় টার্নিং পয়েন্ট, বাঁচা মরার লড়াই, নক আউট পর্বের মত যদি বিএনপি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে তবে দলের অস্তিত্ব সংকটে পড়বে এ ব্যাপারে নিশ্চিত, বহুমুখী ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করেই এগুতে হবে, দলকে তারই আলোকে কিছু প্রস্তাবনা টেনে উপসংহার টানতে চাই।
আমার দৃষ্টিকোণ থেকে প্রথমেই সকল প্রকার উপদলীয়, অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটাতে হবে, অর্থের বিনিময়ে নহে, যোগ্যতার ভিত্তিতে, পেশীর বিপরীতে মেধার ভিত্তিতে নেতা নির্বাচন করতে হবে। বাজারে রটনা আছে বিএনপির কিছু কিছু নেতা পদ বাণিজ্যে সিদ্ধ হস্ত, যদি কথাটি সত্য হয় তবে তা দুঃখজনক, এ ব্যাপারে চোখ কান খোলা রাখতে হবে, দ্বিতীয়ত সম্প্রতি বিএনপি নেতাদের ভারত সফর যা নাকি কুটনৈতিক, অথচ আওয়ামী সরকারের লোকেরা বলছে, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তদ্বির করতে বিএনপির লোকেরা ভারত সফর করছে, আমি জানি না কোনটা সঠিক তবে এটা বলতে দ্বিধা নেই, যে জনগণের দল, জনগণের জন্য দল, সেই দলকে বাদ দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া কতটুকু কার্যকরী ভ‚মিকা রাখবে সন্দেহতীত। তবে বৃহত্তর প্রতিবেশীদের সাথে বন্ধু প্রতিম সর্ম্পক থাকা বাঞ্চনীয়, প্রভ‚ হিসাবে নহে। যদি দিল্লীর দাসত্ব মেনে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করে বিএনপি তবে এটা হবে আত্মহত্যার শামিল। আমাদের কাছে সহজেই বিষয়টা লক্ষনীয়, দিল্লীর শাসক গোষ্ঠী ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের সাথে গোলামী চুক্তিতে আবদ্ধ, দিল্লীর শাসক আওয়ামী লীগকে সুপারসীড করে বিএনপির জন্য কাজ করবে বা সুযোগ তৈরী করে দিবে ব্যাপারটা নিয়া পর্যালোচনা করার দরকার আছে। জাতীয়তাবাদ ইসলামী মূল্যবোধ ইত্যাদি হলো জাতীয়তাবাদী দলের মুলমন্ত্র, আত্ম মর্যাদাশীল, স্বাধীন সার্বভৌমত্ব জাতি গঠনের লক্ষ্য নিয়াই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া বিএনপি তৈরী করেন, তবে আন্তর্জাতিক রাজনীতির মেরুকরণের বিষয়টাকে মাথায় রেখে নিজের অবস্থান পরিস্কার করে সুচারুভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অন্যদিকে ইদানিং বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে দেখা যায় ১০/১২ জন মিলে মিছিল করে, অথবা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করে, ফলাও করে প্রচার করেন, এগুলো আদোও কোন কার্যকরী ভ‚মিকা রাখে কিনা সন্দেহ, তবে এটা বলব এই ১০/১২ জন করে দেশের প্রতিটি পাড়ায়, মহল্লায় একসাথে হয় ঝটিকা বা ঘোষণা দিয়ে মিছিল মিটিং করে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে পারলে, তবেই বিষ্ফোরণ ঘটাতে সময় লাগবে বা। আমার আত্ববিশ্বাস থেকে বলছি।
বাংলাদেশের এমন কোন ইউনিয়ন নেই যেখানে বিএনপির লোক নাই, বাংলাদেশের মাটি বর্তমানে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য খুবই উর্বর। তবে কাল নয়, আজই দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির সাথে সাথে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেমে পড়তে হবে। পাশাপাশি বিএনপির বিগত ভুল সিদ্ধান্ত ও বিয়গান্তক কার্যকলাপের জন্য অনুশোচনা করে বাংলাদেশের জনগণকে আশ্বস্থ করতে হবে, তার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, এভাবে ওয়াদা করতে হবে, তবে নিশ্চিত জনগণ বিএনপির পাশে দাঁড়াবে এবং তাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আবারও সরকার গঠন করবে। ইনশাআল্লাহ।
লেখক: প্রাক্তন সহ সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। কার্যকরী সভাপতি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৮৪-৮৫)।



« (পূর্ববর্তী খবর)



একই ধরনের খবর

  • রাষ্ট্র থাকলো কি গেলো কিচ্ছু যায় আসেনা
  • ট্রাম্প, পুতিন, হেলসিংকি ও বিস্ময়কর আন্তর্জাতিক ক্যানভাস
  • এক শাসক, এক দেশ
  • আসামই কি বাংলাদেশী হিন্দুদের ডাম্পিং গ্রাউন্ড?
  • অতিরাজনীতিই রাজনীতিকের মহাপাপ
  • মার্কিন দূতাবাস এবং বাংলাদেশী রাজনীতি
  • প্রণব মূখার্জীর দেয়াল পাড়ি
  • Shares