জাতীয় সংসদে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

বাংলাদেশে প্রকাশিত পত্রিকার সংখ্যা ২ হাজার ৬৫৪টি ॥ শীর্ষে ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’

হককথা ডেস্ক: বাংলাদেশে প্রচার সংখ্যার দিক থেকে মিডিয়া তালিকাভুক্ত সর্বাধিক প্রকাশিত পত্রিকার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন। গত পাঁচ বছর শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে জাতীয় এ দৈনিকটি। মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
সার্কুলেশন অনুযায়ী ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত সে তালিকা তুলে ধরা হয়। সেই তালিকার শীর্ষে বা এক নম্বরে রয়েছে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নাম। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দৈনিক প্রথম আলো, তৃতীয় স্থানে দৈনিক কালের কণ্ঠ, চতুর্থ স্থানে দৈনিক যুগান্তর, পঞ্চম স্থানে দৈনিক ইত্তেফাক, ষষ্ঠ স্থানে দৈনিক জনকণ্ঠ, সপ্তম স্থানে দৈনিক আমাদের সময়, অষ্টম স্থানে দৈনিক সমকাল, নবম স্থানে মানবকণ্ঠ ও দশম স্থানে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ। এ সময় তিনি আরও জানান, পটুয়াখালী জেলা থেকে ৯টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে সাতটি দৈনিক, একটি সাপ্তাহিক ও একটি পাক্ষিক।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সারাদেশে মোট প্রকাশিত পত্রিকার সংখ্যা ২ হাজার ৬৫৪টি। এর মধ্যে দৈনিক ১ হাজার ২৪৮, সাপ্তাহিক ১ হাজার ১৯২ এবং পাক্ষিক পত্রিকার সংখ্যা ২১৪টি। দৈনিক প্রকাশিত পত্রিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশী ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিদিন। এই পত্রিকার প্রচার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৩ হাজার।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নবম ওয়েজবোর্ড গঠন এবং সকল সংবাদপত্রের গণমাধ্যমকর্মীর শতকরা ৪৫ ভাগ মহার্ঘ ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নবম ওয়েজবোর্ড ইতোমধ্যে রিপোর্ট প্রদান করেছে। অচিরেই নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে সারাদেশের সাংবাদিকদের প্রভূত কল্যাণ সাধিত হবে বলে আশা করা যায়।
তথ্যমন্ত্রী জানান, সংবাদপত্র ও ইলেকট্টনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীদের চাকুরি সুরক্ষার জন্য ’গণমাধ্যমকর্মী (চাকুরি ও শর্তাবলী) আইন’ প্রণয়ন করা হচ্ছে। গত বছরের ১৫ অক্টোবরে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এর নীতিগত অনুমোদন করা হয়। উভয় আইনের ভোটিং-এর জন্য এখন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে। আইন দুটি প্রণীত হলে সংবাদপত্রের পাশাপাশি ইলেকট্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের কর্মীদেরও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও জানান, অসচ্ছল, অসুস্থ ও দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক এবং নিহত সাংবাদিকদের অনুকূলে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছর থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৩৯৬ জনকে সর্বমোট ১০ কোটি ৭ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। গত বছরের ৮ অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিল থেকে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ফান্ডে সিড মানি হিসেবে ২০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে সর্বমোট ৩৫ কোটি টাকা সিড মানি রয়েছে।






একই ধরনের খবর

  • টাইম টেলিভিশন-এর বিশেষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ সোলায়মান
  • সাংবাদিক আব্দুর রহীম আজাদের ইন্তেকাল
  • যা চাচ্ছি তা লিখতে পারছি না
  • বাংলা গণমাধ্যমগুলো নিউইয়র্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে
  • বিজ্ঞাপন বাজেটের ৫০ ভাগ এথনিক মিডিয়ার জন্য বরাদ্দ
  • ফোবানা নিয়ে নিউইয়র্কে তোপের মুখে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক
  • কমিউনিটি সাংবাদিকতার হালচাল
  • ‘টাইম টেলিভিশন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদানের ঘোষণা
  • Shares