বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষপূতী পালন : মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

ফুলেল শুভেচ্ছায় রঙীন হয়ে উঠলো ‘বাংলা পত্রিকা-টাইম টেলিভিশন’ হাউজ

হককথা ডেস্ক: নিউইয়র্কের বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন-এর বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী আর মূলধারার জনপ্রতিনিধিদের ফুলেল শুভেচ্ছায় রঙীন হয়ে উঠে ‘বাংলা পত্রিকা-টাইম টেলিভিশন’ হাউজ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন-এর সাফল্য কামনা করে মিডিয়া দু’টির আগ্রযাত্রা এবং কমিউনিটি সেবা সহ মূলধারায় বাংলাদেশীদের মধ্যকার সেতুবন্ধনকে আরো জোরদার করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেই সাথে তারা প্রতিষ্ঠান দুটির এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আরো সহযোগিতার আশ্বাস দেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানটির বার্তা কক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মিডিয়া দু’টির বর্ষপূর্তীর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা নানা পেশার মানুষের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন প্রাঙ্গণ। রাত ৯টার দিকে যৌথভাবে কেক কেটে বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য সেলিম উদ্দিন এবং বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠান দুটির প্রধান আবু তাহের। এসময় যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিবীদদের পাশাপাশি সর্বস্তরের কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্যে আবু তাহের বলেন, বাংলা পত্রিকা আর টাইম টেলিভিশন তার অগ্রযাত্রায় কোন অনৈতিক বাধার কাছে কখনো আতœসমর্পন করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। বিস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে মিডিয়া দুটি’র যাত্রা অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূলধারার সাথে কমিউনিটির সেতু বন্ধন রচনায় মিডিয়া দুটি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে। মিডিয়া দুটি প্রকাশ ও প্রচারে পৃষ্ঠােপষক ও বিজ্ঞাপনদাতা সহ কমিউনিটির সংশ্লিষ্টদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
সেলিম উদ্দিন এমপি বলেন, আমি নিজেও একজন প্রবাসী ছিলাম। তাই প্রবাসীদের সুখ-দু:খ ভালো করেই জানি। বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন প্রবাসীদের সেবায় দীর্ঘ ২২ ও ৪ বছর ধরে যে আবদান রেখ চলেছে এজন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, প্রতিষ্ঠান দুটি শুধু প্রবাসীদের সেবা নয় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে আরো ভূমিকা রাখবে। তিনি মিডিয়া দুটির উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন।
এছাড়াও অন্যান্য অথিথি তাদের বক্তব্যে তাদের অন্তরের অন্তস্থল থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিডিয়া দুটির উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং সকল সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এদিকে বাংলা পত্রিকা টাইম টেলিভিশন-এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ সঙ্গীত অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। ১৯৯৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলা পত্রিকা আর ২০১৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর টাইম টেলিভিশন যাত্রা শুরু করে। সেই হিসেবে বাংলা পত্রিকা ২৩ বর্ষে আর টাইম টেলিভিশন ৫ বর্ষে পদার্পণ করলো।
মিডিয়া দুটি’র বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মিডিয়ার সম্পাদকদের মধ্যে শুভেচ্ছা জানান সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক আজকাল-এর সম্পাদক মনজুর আহমদ, সিনিয়র সাংবাদিক মঈনুদ্দীন নাসের, জাস্ট নিউজ বিডি সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারী, সাপ্তাহিক দেশবাংলা ও বাংলা টাইমস সম্পাদক ডা. চৌধুরী সারোয়ারুল হাসান, সাপ্তাহিক বর্ণমালা’র প্রধান সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, প্রথম আলো’র (উত্তর আমেরিকা) আবাসিক সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক তাসের মাহমুদ, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক সোহাম্মদ সাঈদ, সাপ্তাহিক দেশকন্ঠ সম্পাদক দর্পণ কবীর, সাপ্তাহিক রানার সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী, সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, বাংলার খবর.নেট-এর সম্পাদক শওকত ওসমান রচি, ঢাকা থেকে আগত একাত্তুর টিভির সিনিয়র রিপোর্টর শামীমা দোলা ও গাজী টিভি’র বিশেষ প্রতিনিধি সাজু রহমান, সাংবাদিক সোহেল মাহমুদ, সাংবাদিক শামীম আল আমীন, ইয়র্ক বাংলা সম্পাদক রশীদ আহমদ। মূলধারার জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটির সাবেক কম্পট্রোলার ও আগামী ষ্টেট সিনেটের প্রাইমারীতে বিজয়ী জন ল্যু, অপর ষ্টেট সিনেটর প্রাইমারীতে বিজয়ী রবার্ট চ্যাকসন, সিটি কাউন্সিলম্যান কস্টা ডি কনসটাডিস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বিশিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে শুভেচ্ছা জানান বিশিষ্ট অভিনেত্রী রেখা আহমদ, বাংলাদেশের জনপ্রিয় নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতী খিলখিল কাজী, সঙ্গীত শিল্পী সালাউদ্দিন আহমেদ, এটর্নী ব্রুশ ফিসার। এছাড়াও কমিউনিটির উল্লেখ্যযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে শুভেচ্ছা জানান সোনালী এক্সচেঞ্জ ইনক’র ভাপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ও সিইও জহিরুল ইসলাম, প্রবীণ প্রবাসী নাসির আলী খান পল, এটর্নী মঈন চৌধুরী, মূলধারার রাজনীতিক আব্দুস শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা ও কলামিস্ট আবু জাফর মাহমুদ, অধ্যাপক নুবেন্দ দত্ত, কমিউনিটি বোর্ডের ভাইস চেয়ার এন মজুমদার, বাফা সভাপতি ফরিদা ইয়াসমীন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক রানা ফেরদৌস চৌধুরী, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র সভাপতি বদরুল হোসেন খান, বিশিষ্ট মর্টগেজ ব্যাংকার জন ফাহিম, বিশিষ্ট ফার্মাসিস্ট মোস্তাক আহমেদ, সাবেক ছাত্রনেতা শাহাবউদ্দীন, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট এডভোকেট মজিবুর রহমান, জামান তপন, বাগ-এর সেক্রেটারী জয়নাল আবেদীন ও পরিচালক মিজবা মোহাম্মদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সামসুদ্দীন আজাদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সহ সভাপতি সামসুল ইসলাম মজনু, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজী আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, জেবিবিএ’র সভাপতি শাহ নেওয়াজ, ফোবানার সাবেক কনভেনর বেদারুল ইসলাম বাবলা, সিপিএ ইয়াকুব এ খান, লীগ অব আমেরিকার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের চৌধুরী শাহীন, শতদল ইনক’র সভাপতি কবীর কিরণ, মৌলভীবাজার ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী ফজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ক্রিসেন্ট ইন্স্যুরেন্স-এর স্বত্তাধিকারী কবীর চৌধুরী, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম, কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, বৃহত্তর, নোয়াখালী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিলাল আহমেদ চৌধুরী, রিপন মিয়া, মামুন টিউটোরিয়াল-এর প্রিন্সিপ্যাল শেখ আল মামুন, খলিল বিরিয়ানীর স্বত্তাধিকারী খলিলুর রহমান, এশিয়া ড্রাইভিং স্কুলের স্বত্তাধিকারী সিদ্দিক আর লিংকন, মার্ক হোমস কেয়ারের কামাল হোসেন ও মি. জিমি, টিডিএস ইন্স্যুরেন্স-এর পরিচালক মামুন আহমেদ, যুবদল নেতা আতিকুল হক আহাদ, যুবলীগ নেতা ইফজাল আহমেদ চৌধুরী, ফ্যাশন ডিজাইনার রুনী, বিশিষ্ট মেকআপ মৃধা মোহাম্মদ আর্টিস জসিম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট রোকসানা মজুমদার, মোহাম্মদ তুষার, হোসনে আরা, ভায়েলা সালিনা, লিউনারা ম্যান্ডেজ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আরো শুভেচ্ছা জানান, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসএম জামাল ইউ আহমেদ, নির্বাচন কমিশনার এ হাকিম মিয়া, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, কাওসারুজ্জামান কয়েস, খোকন মোশাররফ ছাড়াও আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ‘রব-রুহুল’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুর রব মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুহুল আমীন সিদ্দিকীর নেতৃত্বে প্যালের পক্ষে শুভেচ্ছা জানান আব্দুর রব মিয়া। অপরদিকে ‘নয়ন-আলী’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী কাজী আশরাফ নয়ন, সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুর রহীম হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এসময় এই প্যানেলের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও কবি-লেখকদের মধ্যে তমিজ উদদীন লোদী, মনিজা রহমান, ফারজানা ফারজু, সোনিয়া কাদের, পলি শাহিনা, কাজী আরজু, মোশাররফ হোসেন শুভেচ্ছা জানান। যৌথভাবে সমগ্র অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন টাইম টেলিভিশন-এর বার্তা সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস ও নিউজ প্রেজেন্টার সাদিয়া খন্দকার।
অনুষ্ঠানে বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন পরিবারের বর্তমান সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেহেরুন্নেসা জোবায়দা, হাবিবুর রহমান, সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, শেখ সিরাজুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আবিদুর রহীম, সাজিদ হক, ড. বিলকিস রহমান দোলা, ডা. নাহিদ খান, নাজিম উদ্দিন, সামিউল ইসলাম, মোহাম্মদ সোলায়মান, আনোয়ার হোসেন বাবু, সালাউদ্দিন রাসেল, আশরাফুল এইচ চৌধুরী মিহির, আনিকা চৌধুরী ও নিপা রইস।
এছাড়াও বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন পরিবারের সাবেক সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহেদ আলম, সুলতানা রহমান, আবু শাহেদ করীম, মোনালিসা, বিউটি দাস, সোহেল হোসাইন, এএফ মিসবাহউজ্জামান, এন্থনী গাঞ্জলভেজ, শাহরিয়ার বাঁধন প্রমুখ।
বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানের বিশেষ সাংস্কৃতিক পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শাহ মাহবুব, বিউটি দাস, রোক্সানা মির্জা, স্বম্পা জামান। মনোজ্ঞ এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলো বিউটি দাস ও সজিব রহমান। রাত ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠান টাইম টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
উল্লেখ্য, নানা প্রতিকূলতার মাঝেও বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন নিউইয়র্ক ছাড়িয়ে উত্তর আমেরিকা সহ দেশ ও প্রবাসের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া মিডিয়া। বিশেষ করে টাইম টেলিভিশন তার আনুষ্ঠানিক যাত্রার দু’মাস আগ থেকে সরাসরি সংবাদ বুলেটিনের শুরু করে। দল মতের উর্ধ্বে উঠে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে টাইম টেলিভিশন এখন কমিউনিটির মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, চ্যানেলটির নাম-খ্যাতি এখন আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে বাংলাদেশেও পড়েছে। এ অগ্রযাত্রায়- কমিউনিটি নেতা, মূলধারার রাজনীতিবিদ’সহ টাইম টিভির অগনতি দর্শক, শুভ্যানুধ্যায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের ভালোবাসা ছিল নিরন্তর।
নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকার বাংলা সংবাদপত্র আর সাংবাদিকতার ইতিহাসে ‘বাংলা পত্রিকা একটি মাইল ফলক। বাংলা পত্রিকা কমিনিউটি সাংবাদিকতার অন্যতম অগ্র পথিক। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পত্রিকাটি সপ্তাহের প্রতি সোমবার নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। দীর্ঘ ২১ বছর পর পাঠকদের সুবিধার্থে বাংলা পত্রিকা ফ্রি করা হয়েছে।
অপরদিকে ‘ভয়েস অব টাইম’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখেই এগিয়ে চলছে টাইম টেলিভিশন। শুরু থেকেই প্রতিদিনের সরাসরি সংবাদ বুলেটিন ‘টাইম নিউজের’ পাশাপাশি, নিয়মিত সম্প্রচার হওয়া বিভিন্ন অনুষ্ঠান ইতোমধ্যেই দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। খবরের পেছনের খবর আর সবার আগে সবশেষ সংবাদ পরিবেশনেই বস্তুনিষ্ঠতার স্বাক্ষর রেখে চলেছে চ্যানেলটি। আবার শুধু সংবাদই নয়, সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ মূলধারা ও কমিউনিটির খবরা-খবরের মিলে সম্প্রচারিত হয় ‘উইকলি নিউজ রাউন্ড-আপ’। বার্তা বিভাগের তত্ত্বাবধানে সংবাদ পর্যালোচনা মূলক অনুষ্ঠান প্রেসভিউ, টাইম টক, সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয়ক টক’শো ‘টাইম পলিটিক্স’ অন্যতম। কমিউনিটি নির্ভর বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে গুরুত্ব দিয়ে সর্বাধিক লাইভ সম্প্রচার, নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়াও, বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘মিউজিক-আনলিমিটেড’ জনপ্রিয়তার শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে। অনুষ্ঠান বিভাগের পাশাপাশি সম্প্রচার বিভাগে কর্মরতদের নিরলস প্রচেষ্টায়ই আজকের এ অবস্থানে ‘টাইম টেলিভিশন।
অপরদিকে বাংলাদেশের শীর্ষ গণমাধ্যমের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে স্বপ্নের দেশ ‘যুক্তরাষ্ট্রে’ পাড়ি জমানো পেশাদার সাংবাদিকদের কাছে টাইম টেলিভিশন এক অনুপ্রেরণার নাম। পেশাদার এসব সাংবাদিক ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি বাংলাদেশী-আমেরিকান প্রজন্মের স্বপ্ন রচনার অন্যতম প্লার্টফর্ম হচ্ছে টাইম টেলিভিশন। সবার প্রত্যাশা দেশ ও প্রবাসের লাখো কোটি দর্শকদের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির মাঝে সমন্বয় রেখেই এগিয়ে যাবে ‘টাইম টেলিভিশন’। শত প্রতিকূলতায় এ ধারা অব্যাহতে চ্যানেলটির পৃষ্ঠপোষক, দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের এমন প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছে টাইম নিউজ পরিবার।
কমিউনিটির গুরুত্বপূর্ণ খবরা-খবর ছাড়াও বর্ণাঢ্য আয়োজনে ইংরেজী ও বাংলা বর্ষবরণ, বিভিন্ন ফেস্টিভ্যাল-পথমেলা, বাসন্তি উৎসব এবং দেশীয় সংস্কৃতিক আয়োজন গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরছে টাইম টেলিভিশন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ‘নর্থ-আমেরিকার প্রথম বাইল্যাঙ্গুয়াল টিভি চ্যানেল’ হিসেবে ‘টাইম টেলিভিশন’ পঞ্চমবর্ষে পদার্পন করেছে। এর স্বপ্নদ্রষ্টার প্রত্যাশা শত প্রতিকুলতা মোকেবলা করেই এগিয়ে যেতে চান তিনি।
মূলধারায় বাংলাদেশী প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী টাইম টেলিভিশন অগ্রযাত্রায়, শুভানুধ্যায়ী, বিজ্ঞাপন দাতা ও কমিউনিটি নেতাদের অবদানও কম নয়। নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছেও টাইম টেলিভিশন একটি সম্ভাবনার নাম। দলমতের উর্ধ্বে উঠে সংবাদ পরিবেশন, মূলধারায় কমিউনিটির সেতুবন্ধনে টাইম টেলিভিশনের এগিয়ে চলাকে এভাবেই মূল্যায়ন করলেন; দেশের বিশিষ্টজনেরা। ভ্রমণ পিপাসু বাংলাদেশী লেখক, সাংবাদিক ও বিনোদন জগতের বাসিন্দাদের কাছে টাইম টেলিভিশন একটি সম্ভাবনার নাম।
আরো উল্লেখ্য, বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন-এর বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠান সফল করতে বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন খলিল বিরিয়ানী হাউজ, এটর্নী মঈন চৌধুরী, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মইনুল ইসলাম, চৌধুরী এন্ড ফ্রানজোনী ল’ ফার্ম, এটর্নী ব্রুশ ফিসার, সিলেট মটরস, ড. বিলকিস রহমান দোলা ও ডেভিড সরকার।






একই ধরনের খবর

  • নাসাউ কলিসিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানাই আসল ফোবানা
  • ফোবানা’র ‘ট্রেড মার্ক’ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়
  • ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন বিশ্বব্যাপী জোরদার করতে হবে
  • নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে নারীরাও এগিয়ে চলেছে
  • মমিন মজুমদারের মাতৃবিয়োগ
  • নিউইয়র্কে বিপুল উৎসাহে থ্যাংকস গিভিং ডে পালিত
  • অনিশ্চিত নির্বাচন ॥ শুনানীর নতুন তারিখ ৮ জানুয়ারী
  • এস্টোরিয়ায় প্রতিবাদ সভা ২ ডিসেম্বর
  • Shares