নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রোলার স্কটের ‘কমান্ডেশন স্বীকৃতি’ পেলেন আবু তাহের

হককথা ডেস্ক: নিউইয়র্ক সিটি সব সময় ভালোকে স্বাগত জানায়। একই সাথে উন্নত জীবন গড়ায় প্রত্যাশায় আগ্রহী পাশে থাকে। এমনটা জানিয়েছেন সিটি কম্পট্রোলার স্কট এম স্ট্রিঙ্গার। ‘এশিয়ান-আমেরিকান অ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যানন্ডার হ্যারিটেজ-মান্থ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এসময়ে সিটির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটির ত্যাগ ও অবদানের মূল্যায়নও করেন স্কট স্ট্রিংগার। এশিয়ান এথনিক কমিউনিটির এগিয়ে চলায় বিশেষ অবদান রাখায় বাংলা পত্রিকা ও টাইম-টেলিভিশনকে বিশেষ সম্মাননাও তুলে ধরেন সিটি কম্পট্রোলার।
নিউইয়র্কে বসবাসকারী এশিয়ান-আমেরিকান অভিবাসীদের নিয়ে বিশেষ এ আয়োজনটির উদ্যোগ নিয়েছেন সিটি কম্পট্রোলার স্কট-স্ট্রিংগার। বুধবার (২ মে) ম্যানহাটনের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, এশিয়ান ও দক্ষিণ এশিয়ান এথনিক কমিউনিটি নেতাদের মিলন-মেলা ঘটে।
‘এশিয়ান-আমেরিকান অ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ডার হ্যারিটেজ-মান্থ’র ব্যানারে অনুষ্ঠিত বিশেষ এ আয়োজনে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। যাতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ভাষাভাষীদের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ানদের মধ্যে অন্যতম ছিল বাংলা-ভাষা ও বাংলাদেশী কমিউনিটি।
নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রোলারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ বিশেষ আয়োজনে এবারো অভিবাসীদের অধিকার ও সেবা বিষয়ক বাংলা ভাষার প্রকাশনাও তুলে ধরা হয়। কমিউনিটির প্রিয় মুখ স্কট-স্ট্রিংগারের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান উপস্থিত সবাই। তিনি নিজেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে অভিবাসীদের পাশে থাকার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটির উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় গুরুপূর্ণ ভূমিকা পালনের পাশাপাশি, মূলধারার-সাথে প্রজন্মের সেতুবন্ধনের কারিগর কয়েকজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। নিউইয়র্ক সিটি-কম্পট্রোলার অফিসের পক্ষে বাংলাদেশী এথনিক মিডিয়ার অন্যতম রূপকার হিসেবে একমাত্র টাইম-টেলিভিশনের সিইও এবং বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আবু তাহেরকে তার কৃতিত্বের স্বাক্ষর তুলে দেয়া হয়।
অভিবাসীদের স্বর্গরাজ্য নিউইয়র্কের সিটি প্রশাসেনর গুরুত্বপূর্ণ এ সম্মানানা পুরো কমিউনিটিকে উৎসর্গ করেছেন সাংবাদিক আবু তাহের। কমিউনিটি বিনির্মানে তার চলমান এ ধারাকে অব্যাহত রাখবেন বলে অঙ্গিকারও করেন তিনি।
মেয়রের পর নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসনের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় কম্পট্রোলারকে। আগামীতে নগরীর নিন্ম-আয়ের মানুষ, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারি’সহ অভিবাসী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সবার আগে স্কট-স্ট্রিংগারকে পাশে পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া এশিয়ান-আমেরিকান কমিউনিটির প্রতিনিধিরা।
প্রখ্যাত সাংবাদিক, দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী এবং সম্পাদক/প্রকাশক মাহবুবা চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। -টাইম টেলিভিশন।






একই ধরনের খবর

  • DIDER CHOWDHURY: WON AWARD FOR CONTEMPORARY INFORMATION BASED ANALYTICAL REPORT
  • দিদার চৌধুরী : প্রাণের তাগিদে সাংবাদিক হওয়ার গল্প
  • ভিনদেশী সাংবাদিকেরা বাংলাদেশকে নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করছেন
  • The Immigrant’s Fourth Estate
  • আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের এক দশক পূর্তি অনুষ্ঠান ৮ এপ্রিল
  • প্রবাসের বাংলা সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্ব চাই, সুস্থ প্রতিযোগিতা চাই
  • ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিলো ইন্টারন্যাশনাল নিউজ প্রেজেন্টার হওয়ার
  • Shares