নিউইয়র্কে যুগান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

নিউইয়র্ক: ‘সত্যের সন্ধানে নির্ভীক’ অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু হওয়া দৈনিক যুগান্তর পার করলো আঠারোটি বছর। ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় পত্রিকার শ্লোগান ‘পাঠককের অন্তর জুড়ে’। এবার প্রবাসীদের কণ্ঠস্বর হোক যুগান্তর এই প্রত্যয় ব্যক্ত হলো নিউইয়র্কে পত্রিকাটির ঊনিশ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে। ৩১ জানুয়ারী বুধবার জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজায় ছিমছাম অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানটির শুভ সূচনা হয় কেক কাটার মধ্য দিয়ে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান ছাড়াও লেখক, শিল্পী, সাহিত্যিক, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই বলেছেন, যুগান্তর বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় জয় করেছে। এখন প্রবাসী পাঠকের কণ্ঠস্বর হয়ে তাদের মণিকোঠায় স্থান করে নিতে হবে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক যুগান্তর-এর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি হাসানুজ্জামান সাকী পত্রিকার ঊনিশ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমের শুভেচ্ছা সবার কাছে পৌঁছে দেন। এসময় তিনি যুগান্তর অনলাইনের মাধ্যমে প্রবাসীদের বিভিন্ন সংবাদ গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হচ্ছে বলে জানান।
মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে দেশের পাঠকপ্রিয় পত্রিকা হিসেবে যুগান্তর একটি বিশেষ স্থানে পৌঁছেছে। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুগান্তরের রিপোর্টিয়ের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু সময় যুগান্তর নিউইয়র্ক ও ঢাকা অফিস থেকে জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনের সাথে যেভাবে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছে তাতে বোঝা যায় যে দেশের ক্রান্তিকালে দেশের স্বার্থটাই তাদের কাছে সবচেয়ে প্রাধান্য পায়।
শামীম আহসান বলেন, বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী রিপোর্টিং দিয়ে যুগান্তর পাঠকের মনে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তিনি আশা করেন, যুগান্তরের সেই ধারবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমকে সবার আগে দেশের স্বার্থ দেখতে হবে। কোনো অসঙ্গতি দেখতে তা যেমন তুলে ধরতে হবে তেমনি দেশ ও দশের এবং সরকারের সাফল্যও খাটো করে দেখলে চলবে না।
সাপ্তাহিক আজকাল-এর সম্পাদক মনজুর আহমদ বলেন, আমি যুগান্তরের জন্ম দেখেছি। এখন এর তারুণ্য দেখছি। সব বয়সেই যুগান্তর সমান শক্তিশালী।
সাপ্তাহিক ঠিকানা’র প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান বলেন, একটি পত্রিকা ঊনিশ বছর সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে, এটি সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। ঊনিশ বছর নি:সন্দেহে একটি মাইল ফলক।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, সাপ্তাহিক বর্ণমালা’র প্রধান সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, চিত্রশিল্পী খুরশিদ আলম সেলিম, কলামিস্ট সুব্রত বিশ্বাস, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এটর্নি মঈন চৌধুরী, কমিউনিটি বোর্ড সদস্য আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার, জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারী (মিডিয়া) নূর এলাহী মিনা প্রমুখ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ অভিনেত্রী রেখা আহমেদ, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের, জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উচ্চপদস্ত কর্মকর্তা কর্নেল (অব.) রেজা, অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার ব্যুরো প্রধান ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, বিশেষ প্রতিনিধি সাহেদ আলম, বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে (একাংশ)-এর সাবেক দপ্তর সম্পাদক ইমরান আনসারী, কবি তমিজ উদদীন লোদী, কবি কাজী আতীক, সাংবাদিক ও টকশো’র আলোচক মনির হায়দার, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, সেইফেস্টের প্রতিষ্ঠাতা মাজেদা এ উদ্দিন, ব্যবসায়ী আরিফ আহমেদ, ব্যবসায়ী আফতাব আহমেদ বাপ্পী, সাংবাদিক মনিজা রহমান, আলোকচিত্র সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী, এটিএন বাংলার নিউজ এডিটর কানু দত্ত, সাপ্তাহিক আজকাল-এর নির্বাহী সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাগর, বাণিজ্যিক প্রধান আবুবকর সিদ্দিক, প্রধান আলোকচিত্রী এ হাই স্বপন, টাইম  টিভি’র অন্যতম পরিচালক (আউট রিচ ও কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স) সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার মিজান খন্দকার ও সাদিয়া খন্দকার, ক্যামেরাপারসন মোহাম্মদ সোলায়মান, আইটিভি’র কর্নধার মাওলানা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, আইটিভি’র সিনিয়র ক্যামেরাপারসন রিসান রাসুল, যুগান্তরের সাবেক সহ-সম্পাদক শাকিল মামুদ, নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান রুদ্র মাসুদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ, কোষাধ্যক্ষ মনসুর খান, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মালেক, শাহানারা রহমান, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মেকআপ আর্টিস্ট এম এম জসীম, গীতিকার মেহফুজ আহমেদ, বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন নেতা ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিউল্লাহ সিকদার, শো টাইম মিউজিকের কর্নধার আলমগীর খান আলম, তাওহীদা সুমি, নরুল গনি নজরুল, সঙ্গীত শিল্পী সায়েরা রেজা ও শাহ মাহবুব, চ্যানেল-৫২ এর কর্নধার এনাম চৌধুরী ও ফারাহ হাসিন, টিভি অনুষ্ঠান নির্মাতা ফাহিম ফিরোজ, সাহিত্যিক পলি শাহিনা, লেখক ভায়লা সেলিনা, শায়লা আফতাব, আইটি বিষয়ক কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান মিলন, মডেল ও কোরিওগ্রাফার পিয়াল হোসেন প্রমুখ। ছবি: নিহার সিদ্দিকী






একই ধরনের খবর

  • বাংলাদেশের সকল স্তরেই চরম অনৈতিক অবস্থা বিরাজ করছে
  • DIDER CHOWDHURY: WON AWARD FOR CONTEMPORARY INFORMATION BASED ANALYTICAL REPORT
  • দিদার চৌধুরী : প্রাণের তাগিদে সাংবাদিক হওয়ার গল্প
  • ভিনদেশী সাংবাদিকেরা বাংলাদেশকে নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করছেন
  • The Immigrant’s Fourth Estate
  • আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের এক দশক পূর্তি অনুষ্ঠান ৮ এপ্রিল
  • প্রবাসের বাংলা সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্ব চাই, সুস্থ প্রতিযোগিতা চাই
  • ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিলো ইন্টারন্যাশনাল নিউজ প্রেজেন্টার হওয়ার
  • Shares