নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধার ভূঁয়া সার্টিফিকেট!

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধার ভূঁয়া সার্টিফিকেট (!)-এর সন্ধান পাওয়া গেছে। আর এই সার্টিফিকেট নিয়ে কোন কোন প্রবাসীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তভূক্তিতে কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সচেতন প্রবাসীরা দেশে এবং প্রবাসে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রনয়ণ জরুরী বলে মন্তব্য করেছেন।
সাপ্তাহিক পরিচয়-এর গত সপ্তাহে ‘কমিউনিটিতে প্রশ্ন : নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত’ শীর্ষক খবর প্রকাশিত হওয়ার পর কমিউনিটির বিভিন্ন মহলে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে তথা মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই স্বাধীনতার ৪৪ বছর চলছে। অথচ দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে জাতি আজো প্রশ্নবিদ্ধ। জাতির স্বার্থেই এই সমস্যার সমাধান হওয়া একান্ত জরুরী বলে সবার দাবী।
মজার বিষয় হচ্ছে দীর্ঘ প্রবাস জীবনে হঠাৎ করেই অনেকরই মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় বহন, কোন কোন অনুষ্ঠানে সম্বর্ধিত হওয়ার ঘটনা অনেককেই হতবাক করছে। যারা ১০/১৫ বা ২০/৩০ বছর ধরে নিউইয়র্কে বসবাস করছেন তারা দীর্ঘ প্রবাস জীবনে মুক্তিযোদ্ধা নয়, কমিউনিটি নেতা বা বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বা পেশাজীবি সংগঠনের নেতা পরিচয়ে পরিচিত গত দুই বছরে হঠাত করেই তাদের মধ্যে কারো কারো ‘মুক্তিযোদ্ধার পরিচয়’ নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে দিনে দিনে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বাড়ার কথা না কমার কথা?
জানা গেছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজসে পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভূঁয়া সার্টিফিকেটে নাকি নিউইয়র্কের অনেকেই এখন  মুক্তিযোদ্ধা! ঢাকায়ও নাকি এমন অনেক ‘ভূঁয়া সার্টিফিকেটধারী’ মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় মিলেছে। এনিয়ে বিব্রত খোদ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় ও সরকার।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের তৎকালীন চেয়ারম্যান আহাদ চৌধুরী কয়েক বছর আগে নিউইয়র্ক সফরকালীন সময়ে নাকি প্রবাসের অনেককেই মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলশ্রুতিতে বিভক্ত নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
এদিকে গত সপ্তাহে পরিচয়-এ প্রকাশিত ঐ খবরের একাংশে জ্যামাইকার একটি অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করার খবরের পর প্রবীণ প্রবাসী ছদরুন নূর তার ঘনিষ্ঠজনরা পরিচয়-কে বলেছেন, ছদরুন নূর মুক্তিযোদ্ধা নন। তারা আরো বলেছেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ছদরুন নূরকে সম্মানিত করার ঘটনায় তিনি বিব্রত। তবে জ্যামাইকার প্রবীণ প্রবাসী হিসেবে তিনি সম্মানিত হতে চেয়েছেন মাত্র।
কমিউনিটির পরিচিত মুখ, জ্যামাইকার কলাম্বাস খ্যাত ফার্মাসিস্ট/রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নাসির আলী খানের হাঠাৎ মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় দাবীর প্রেক্ষিতে অনেকের প্রশ্ন তিনি এতদিন নিজেকে কেন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবী করেননি বা পরিচয় দেননি কেন? (সাপ্তাহিক পরিচয়)






একই ধরনের খবর

  • ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে নিউইয়র্কে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ
  • জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির অভিষেক ১৬ ফেব্রæয়ারী
  • ইয়েলো সোসাইটির ‘ঐতিহাসিক’ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : আক্কাস-ফেরদৌস-রওশন নেতৃত্বের জয়গান মুখে মুখে
  • অ্যাপলো ব্রোকারেজ’র প্রেসিডেন্ট শমসের আলী হাসপাতালে
  • ব্রঙ্কসে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশী আতাউর নিহত
  • আব্দুল মান্নান এমপির ইন্তেকাল
  • বাংলাদেশীদের অনুষ্ঠানে সিনেটর চাক শুমারকে ঘিরে যা হলো
  • হাইরাম মানসেরাতকে নির্বাচিত করার আহ্বান
  • Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked as *

    *

    Shares