নিউইয়র্কে বিকেএসপি’র তারকাদের মিলন মেলা

মিহির চৌধুরী: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে সানকিন ম্যারো স্টেট পার্কে হয়ে গেল বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-বিকেএসপি’র সাবেক ছাত্রদের পূণর্মিলনী। ওয়ারসিস এক্স-স্টুডেন্ট অব বিকেএসপি’র আয়োজন পরিণত হয়েছিল উত্তর আমেরিকায় প্রবাস জীবন কাটানো প্রাক্তন ছাত্রদের মিলনমেলায়। বিকেএসপি’র ফুটবলের কোচ আবদুল্লাহ সাইক, তারকাদের মধ্যে ছিলেন ক্রিকেটের সাজিদ হাসান, মনিরুজ্জামান মনি, গাজী সালাউদ্দিন, আনিন্দ দাস, শাহজাদা। ফুটবলারদের মধ্যে ছিলেন বকতিয়ার, জাহেদুর রহমান কাকন, শেখ হোসেন বিজয়, মারুফ, সুমন। ছিলেন সাঁতারু কারার মিজান, এ্যাথলেটস বিমল চন্দ্র তরফদার, লং টেনিসের শরীফুল আজম রুবেল ছাড়াও হকি খেলোয়ার নিক্সন আলম, আক্তার হোসেন, আমিনুস সামাদ, মো: রাশেদ, সাজ্জাদ জন, সুলতান মাহমুদসহ আরো অনেকে। উল্লেখ্য, দেশের বাইরে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এতো বড় আয়োজন এটাই প্রথম।
বন্ধুত্ব-সত্যিকার অর্থেই যাদের সাথে হয়ে উঠে আত্মার সম্পর্ক, তাহলো কৈশোরের সাথী-স্কুল জীবনের সহপাঠী। আবার দিন বদলে পালায় এই আত্মার বন্ধুদেরই একেক জনের ঠাই হয় একেক জায়গায়। চলে যেতে হয় পৃথীবির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। কিন্তু হাজার হাজার মাইলের দূরত্ত্বও আবার ম্লান হয়ে যায় এই বন্ধুদের ফিরে পেলে। শৈশব আর কৈশরের সেই আতœার আত্মীয়দের সাথে মিলতে তাই- যে যেখানে, যত দূরেই থাকুক, কিংবা থাকুক শত ব্যস্ততা, কোন বাধাই যেন বাধা হয়ে দাড়াতে পারে না তাদের সামনে। সেই বাধা পেরিয়ে এক হওযার গল্প উঠে এসেছে বিকেএসপি’র পূণঃমিলনে।
গত ২০ জুলাই শনিবার যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় থাকা বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাবেক ছাত্রদের মিলন মেলায় পরিনত হয় নিউইয়র্কের সানকিন ম্যারো স্টেট পার্ক। শুধু কি ছাত্র’রাই, তাদের পরিবারের সদস্যরাও সামিল হয়েছিলেন এই মিলন মেলায়। পরিনত বয়সের সহযাত্রীর, কৌশরের সহপাঠীর সাথে করা আনন্দের ভাগী হয়েছিলো তারাও। বিকেএসপি যাত্রাটা ১৯৮৬ সালে। তখন থেকেই বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে সবচেয়ে উজ্জল নাম বিকেএসপি। কতো শত নক্ষত্র যে বেরিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে তার সঠিক হিসাব এক মূহুর্তে বলায় সম্ভব নয়। এই বিকেএসপির হয়ে, দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যারা সুনাম বয়ে আনছেন- তারাই সমবেত হয়েছিলো এক ছাদের নীচে। ক্রিকেট, হকি, ফুটবল কিংবা এ্যাথলেটিক্স, এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে বিকেএসপি’র এই ছাত্রদের পদচারণা ছিলো না। প্রায় সবারই রয়েছে নিজ নিজ ক্ষেত্রে জাতীয় দলের হয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ত্ব করার গৌরব গাঁথা। সেই ১৯৮৬ সালের প্রথম ব্যাচের ছাত্রদের সাথে মিশেছিলো নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরাও, সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যকার পার্থক্য ভুলে সব মিলে যেন এক আত্ত্বার গল্প তৈরী হয়েছিলো। বড়দের গৌরব গাঁথা গল্পে যেমন শিহরীত হয়েছিলো নবীনরা, তেমনি নতুনদের বর্তমান সাফলের খুশি প্রবীণরাও। দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে এমন আয়োজন করতে পেরে খুশি উদ্যোক্তারাও। তবে, বিকেএসপির’র সাবেক কিছু ছাত্র যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেও এই আয়োজনে সামিল হতে না পারায় কিছুটা অপূর্ণতার কথাও উঠে আসে তাদের কণ্ঠে। আরো উল্লেখ্য, বিকেএসপি’র সাবেক শিক্ষার্থীর আগামী মিলন মেলা হবে ২০২০ সালে টেক্সাসে।






একই ধরনের খবর

  • বিপিএল ক্রিকেট আসরের উদ্বোধন ২৯ সেপ্টেম্বর
  • অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন যুব সংঘ
  • ফাইনাল ১ সেপ্টেম্বর ॥ মুখোমুখী যুব সংঘ (বি) ও সোনার বাংলা
  • যুব সংঘ (বি) অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ব্রঙ্কস ইউনাইটেড রানার্স আপ : টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল ২৫ আগষ্ট
  • ব্রাদার্স ব্রঙ্কস ইউনাইটেড ও যুব (বি)’র পূর্ণ পয়েন্ট লাভ
  • যুব সংঘ সোনার বাংলা ও ব্রাদার্সের জয়লাভ ॥ তাজওয়ারের হ্যাট্রিক
  • জ্যাকসন হাইটস ক্লাব সাসপেন্ড : ব্রঙ্কস ইউনাইটেড ও যুব সংঘে পূর্ণ পয়েন্ট লাভ
  • Shares