কুইন্স ডিষ্ট্রিক্ট এটর্নী নির্বাচন মঙ্গলবার : আলোচনায় মেলিন্ডা-কাবান ॥ ররি’র প্রার্থীতা প্রত্যাহার

হককথা ডেস্ক: নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স বরোর ডিস্ট্রিক্ট এটর্নী পদে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রাইমারী নির্বাচন ২৫ জুন মঙ্গলবার। এই নির্বাচন ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে। ডিষ্ট্রিক্ট এটর্নী পদের নির্বাচনে ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার র্শীষে এবং আলোচনায় রয়েছেন কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা কাটস ও লীগাল এইড সোসাইটির এটর্নী টিফানী কাবান। অপর প্রার্থীরা হলেন- কুইন্স সুপ্রীম কোর্টের সাবেক জজ ও কুইন্সের সাবেক এক্সিকিউটিভ এ্যাসিসটেন্ট ডিষ্ট্রিক্ট এটর্নী গ্রেগরী ল্যাসাক, ওয়াশিংটন ডিসি’র সাবেক ডেপুটি এটর্নী জেনারেল মিনা মালিক, নাসাউ কাউন্টির সাবেক ডিষ্ট্রিক্ট এটর্নী বেটি লুগো, নিউইয়র্ক ষ্টেট ডেপুটি চীফ এটর্নী জেনারেল হোজে নিয়েভস এবং নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিলম্যান ররি ল্যান্সম্যান। এদের মধ্যে মেলিন্ডা কাটস-এর সমর্থনে ররি তার প্রার্থীরা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি গত ২০ জুন বৃহস্পতিবার রাতে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন। এদিকে এই নির্বাচন ঘিরে বাংলাদেশী-আমেরিকান ভোটার ও কমিউনিটি বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। অধিকাংশ প্রবাসী বাংলাদেশীরা মেলিন্ডা কাটস ও টিফানী কাবানের পক্ষে সমান তালে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। নির্বাচর্নী প্রচারণায় মেলিন্ডা ও কাবানের ব্যাপক প্রচার ও প্রচারণা লক্ষ্য করা গেছে।

মেলিন্ডা কাটস

এছাড়াও নিউইয়র্কের বিভিন্ন কোর্টের জজ পদেও একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে ব্রুকলীনের সারোগেট কোর্ট জজ পদে এটর্নী মেরিডিথ জন্স এবং সিভিল কোর্টে মালডোনাডো ক্রুজ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নিউইয়র্ক সিটির বোর্ড অব ইলেকশন অফিস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত একটা বিভিন্ন কেন্ত্রে টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, এটর্নী রিচার্ড ব্রাউন দীর্ঘ ২৮ বছর গুরুত্বপূর্ণ কুইন্স ডিষ্ট্রিক্ট এটর্নী পদে দায়িত্ব পালনকালীন সময় সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার জন্য অবসরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই মধ্যে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং চলতি বছরের ৪ মে তিনি পরলোকগম করেন। তার বয়স হয়েছিলো ৮৬ বছর। মৃত্যুর আগে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে চলতি বছরে ১ জুন তিনি এটর্নী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন।
এদিকে কুইন্স ডিষ্ট্রিক্ট এটর্নী পদের নির্বাচনে বরো প্রেসিডেন্ট মেলিন্ডা ক্যাটস-এর সমর্থনে ২২ জুন শনিবার বাংলাদেশী কমিউনিটির পক্ষ থেকে র‌্যালীও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও সিটির বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা চালানো হয়। মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, এটর্নী মঈন চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, জেবিবিএ’র সভাপতি শাহ নেওয়াজ, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, কমিউনিটি নেতা ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার প্রমুখের নেতৃত্বে এসব প্রচারণা চলে। অ্যাসাল, নিউ আমেরিকান ভোটার্স এসোসিয়েশন (নাভা) মেলিন্ডা কাটস-কে সমর্থন জানিয়েছে।
 টিফানী কাবান

অপরদিকে কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট এটর্নী পদে জয়ী হতে বাংলাদেশী কমিউনিটির সহায়তা চেয়েছেন এটর্নী টিফানী কাবান। তিনি জয়ী হলে দক্ষিণ এশিয় প্রবাসী বিশেষ করে বাংলাদেশী কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। সাউথ এশিয়ান ভোটার এসোসিয়েশন সহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে ব্যাপকভাবে সমর্থণ জানানো হচ্ছে। তার সমর্থনে নিউইয়র্ক ষ্টেটের ডিস্ট্রিক্ট ৩৭ থেকে আগামীতে অ্যাসেম্বলীওম্যান পদপ্রার্থী মেরী জুবাইদা সহ মৌমিতা আহমেদ, জয় চৌধুরী, মনিকা রায় প্রমুখ কাজ করছেন।
দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস ও আগামী ২০২০ সালের প্রেসিডিন্ট নির্বাচনে প্রার্থী সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, ইউএস কংগ্রেমওম্যান আলেকজেন্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ, নিউইয়র্ক সিটির কম্পট্রোলার স্কট স্ট্রীংগার এবং নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলীওম্যান ক্যাটারিনা ক্রুজ প্রগ্রেসিভ রাজনীতির দাবীদার নবাগতা টিফানী কাবানকে সমর্থন জানিয়েছেন। এছাড়াও বাংলাদেশী কমিউনিটির তরুণ প্রজন্মের বড় একটি অংশ সহ অন্যান্য কমিউনিটির নতুন প্রজন্ম তাকে সমর্থন জানিয়েছে।
এদিকে এক বিবৃতিকে কুইন্স ডিষ্ট্রিক্ট এটর্নী অফিসের এশিয়ান-আমেরিকান এডভাইজরী বোর্ডের মেম্বার ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সাবেক সভাপতি এম এ কাইয়্যুম মঙ্গলবারের নির্বাচনে টিফানী কাবান-কে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।






একই ধরনের খবর

  • চাঁদ দেখা যায়নি : যুক্তরাষ্ট্রে রোববার ঈদ বাংলাদেশে সোমবার
  • নিউইয়র্কে সামার স্কুল পরিকল্পনা
  • নিউইয়র্ক সিটিতে নতুন উদ্বেগ করোনা আক্রান্ত শিশু
  • করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি লাখে মৃত্যু ২৮.৮জন
  • জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সপ্তাহব্যাপী ‘ফুড ডিষ্ট্রিবিউশন’ কার্যক্রম তিন শতাধিক পরিবার পেলো ‘ঈদ উপহার’
  • ফ্রেন্ডস সোসাইটির সপ্তাহব্যাপী ‘ফুড ডিষ্ট্রিবিউশন’ কর্মসূচী শুরু
  • করোনা : যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে ২,৭৩৮ জনের মৃত্যু
  • এই যুদ্ধে জয়ী হতে হবে মা
  • Shares