কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ আর নেই

হককথা ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ আর নেই (ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। শনিবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় নিজ বাসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সঙ্গীতশিল্পী শফিক তুহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শনিবার রাতে হঠাৎ করে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর তাকে আর হাসপাতালে নেয়ার সুযোগ হয়নি। বাসাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরে তিনি শ্বাস কষ্টে ভুগছিলেন। ১৯৫২ সালে জন্ম নেন এই শিল্পী। মাত্র ১১ বছর বয়সে ১৯৬৩ সালে রেডিও এবং চলচ্চিত্রের গানে যাত্রা শুরু করেন তিনি। ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে প্রথম গান করেন। পাকিস্তানে থাকার সুবাদে করাচি টিভিসহ উর্দু ছবিতেও গান করেছেন। গান শিখেছেন গজল সম্রাট মেহেদী হাসানের কাছে।
শাহনাজ রহমত উল্লাহর স্বামী মেজর (অব.) আবুল বাশার রহমত উল্লাহ ব্যবসায়ী, ছেলে এ কে এম সায়েফ রহমত উল্লাহ কানাডায় থাকেন, মেয়ে নাহিদ রহমত উল্লাহ থাকেন লন্ডনে।
‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’, ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল’, ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’সহ অসংখ্য কালজয়ী গান গেয়েছেন তিনি। শাহনাজ রহমত উল্লাহ ১৯৯০ সালে ‘ছুটির ফাঁদে’ ছবিতে গান গেয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৯২ সালে পান একুশে পদক। ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’ এর সৌজন্যে তিনি পেয়েছেন আজীবন সম্মাননা। এ ছাড়া গান গেয়ে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন গুণী এই শিল্পী।






একই ধরনের খবর

  • ইউরোপ অভিবাসন প্রত্যাশীদের করুণ পরিণতি : ভূমধ্যসাগরে ৩৭ বাংলাদেশীর মৃত্যু
  • ‘ঋণের বোঝা আরও বেড়ে গেল’
  • কর্মচারী নির্যাতনের দায়ে নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশী দম্পতির জেল
  • ফারমার্স ব্যাংকে ৫শ’ কোটি টাকা জালিয়াতি : এক পরিবারের পেটে ৩০০ কোটি টাকা
  • প্রতিশোধ নেয়ার ভয়ে বাংলাদেশের সম্পাদকরা অনেক রিপোর্ট প্রকাশ করেন না : অ্যামনেস্টির সাদ হাম্মাদি 
  • প্রধানমন্ত্রী শপথ ভঙ্গ করেছেন: খন্দকার মাহবুব
  • দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী নিহত
  • জাতিসংঘকে বাংলাদেশ থেকে বিদায় হওয়ার পরামর্শ দিয়েছি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • Shares