নিউইয়র্কে স্মরণ সভায় বক্তারা

আদর্শের প্রশ্নে মঈনুদ্দিন খান বাদল ছিলেন আপোষহীন

নিউইয়র্কে  স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ

নিউইয়র্ক (ইউএনএ): মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান, জাসদ নেতা মঈনুদ্দিন খান বাদল এমপি স্মরণে প্রবাসীদের উদ্যোগে আয়োজত সার্বজনীন স্মরণ সভায় বক্তারা বলেছেন, স্বাধীনতার মূল্যবোধ, গণতন্ত্র এবং অসাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোষহীন। তিনি কখনও এ ব্যাপারে আপোষ করেননি। দেশ-জাতির সংঙ্কটে তিনি বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূণ ভুমিকা রাখেন। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন এবং সরকার অথবা বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় এবং দেশ প্রেমিক, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ রাজনীতিক হিসাবে তিনি বক্তব্য রেখে নিজেকে জাতির বিবেক হিসেবে স্থান করে নিয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো।
জ্যাসকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজা মিলনায়তনে গত ২৪ নভেম্বর রোববার সন্ধ্যা ছয়টায় আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির আহবায়ক সুব্রত বিশ্বাস। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম। সভার শুরুতে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং বিশেষ মুনাজাত করা হয়। খবর ইউএনএ’র।
নিউইয়র্কে  স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন শাহাবউদ্দিন

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন এডভোকেট মহিবুর রহমান, শাহাবউদ্দিন, এমাদ চৌধুরী, শরাফ সরকার, ড. আব্দুল বাতেন, মোছাব্বির আহমেদ, দেওয়ান শাহেদ চৌধুরী, শামীম আহমেদ, নজরুল ইসলাম, অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম, শাহীন আজমল, আবু জাফর মাহমুদ, শাহাবুদ্দীন সাগর, গাজী শামসুদ্দিন, আবু তালেব চান্দু, মো: নাদের আহমদ, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, আলীম উদ্দিন, নূরে আলম জিকু, শামীম চৌধুরী, শায়েক আহমেদ, মো: ফজল খান, মঞ্জুর হোসেন চৌধুরী জগলু, শাহলম আতাউর, শাহনূর কোরেশী, হেলাল খান, মোহাম্মদ নাদের, নাজিম উদ্দিন, মোশারফর খান, তোফায়েল খান প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব শাহান খান।
সভায় বক্তারা বলেন, সদ্য প্রয়াত মঈনুদ্দিন খান বাদল চট্টগ্রামের বোয়ালখানীর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, তার বাবা ছিলেন সেই সময়কার উচ্চ পদস্থ পুলিশ অফিসার। ছোট বেলা থেকেই তিনি ছিলেন খুব তেজদীপ্ত, সাহসী এবং সংগ্রামী যুবক। পাকিস্তান আমলেই বৈসম্য সামরিক শাসনের বিরুদ্বে আন্দোলন এবং ৬ দফা, ১১ দফা নিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে প্রতিরোধ আন্দোলনে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে সাক্রয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন করেন। স্বাধীনতার পর যখন দেখেন গরীব মেহনতী মানুষের মুক্তি আসেনি, তখন শ্রেনীহীন এবং শোষণ হীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ গঠন করেন। তিনি বহুবার কারাভোগ, পুলিশী নির্যাতনের শিকার হন। তিনি সব সময় মনে করতেন সাম্য, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গরীব মানুষের মুক্তি সমাজতন্ত্র ছাড়া এর বিকল্প নেই। সে লক্ষ্যে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন।
সভায় মঈনদ্দিন খান বাদলের দীর্ঘদিনের দাবী অনতিবিলম্বে কাসুরঘাট সেতু নির্মাণ করে ‘মইনুদ্দিন খান বাদল সেতু’ নামকরণের দাবী এবং বাংলাদেশের প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার বাড়ীর সামনে সরকারী খরচে নাম ফলক নির্মাণের জানানো হয়।






একই ধরনের খবর

  • বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালন
  • অ্যাসেম্বলীওম্যান প্রার্থী মেরী জোবাইদার ফান্ড রেইজিং ২২ ডিসেম্বর
  • প্রজন্মের সাথে বাড়ছে দূরত্ব ॥ বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি
  • ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস : নিউইয়র্কে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ
  • নারীর ক্ষমতায়নে নারীদেরই অগ্রনী ভূমিকা রাখতে হবে
  • উমরা প্যাকেজ নিয়ে সৌদি আরব ঘুরে এলো বাংলা ট্যুর
  • নিউইয়র্কের পরিচিত মুখ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল
  • বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় থ্যাঙ্কস গিভিং ডে উদযাপন : ঘরে ঘরে টার্কি ভোজ পার্টি
  • Shares